জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতি রবিউল ইসলাম নয়নের আহ্বান: “ঐক্য ছাড়া কোনো মুক্তি নেই”
স্টাফ রিপোর্ট | ১৪ জুলাই ২০২৫
চাপা আগুনের মতো যেন পুড়ছে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতি। চারপাশে ষড়যন্ত্র, বিভাজন, চরিত্রহননের মহোৎসব। আর এই বিভাজনের আগুনে যেন একে অপরকে পুড়িয়ে দিচ্ছেন নিজেদেরই কিছু নেতা–কর্মী। এই আত্মঘাতী প্রবণতার বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী যুবদলের একজন সাহসী কণ্ঠস্বর, রবিউল ইসলাম নয়ন তুলে ধরেছেন এক সতর্কবার্তা—“সাধু সাবধান!”
নয়ন স্পষ্টভাবে বলেছেন, জাতীয় ঐক্য আজ সুদূরপরাহত, অথচ এই মুহূর্তেই সবচেয়ে বেশি দরকার জাতীয়তাবাদী শক্তির অটুট ঐক্য। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব, এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দূরদর্শী কৌশল এই দলকে এ দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত করেছে।
নয়নের ভাষায়:
“পাড়া-মহল্লা থেকে প্রশাসনের সর্বস্তরে জাতীয়তাবাদী শক্তির অসংখ্য সৈনিক রয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতার নামে অনেকে একে অপরকে হেয় করছে, চরিত্র হনন করছে। আর এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পুরো বিএনপি, ফায়দা নিচ্ছে জামায়াত-শিবির, এনসিপি, এবং কিছু বিকৃতমনা নেটিজেন।”
তিনি আরো সতর্ক করেছেন, এখনো সময় আছে। যদি এখনই ঐক্যবদ্ধ না হওয়া যায়, তাহলে সামনে যে রাজনৈতিক ধ্বংসযজ্ঞ অপেক্ষা করছে, তা রোধ করা সম্ভব হবে না। নাহিদ হাসনাত গং এর মতো কিছু স্বার্থান্ধ গোষ্ঠীকে সামনে রেখে জামায়াত-শিবির ও পাকিস্তানি ভাবধারার রাজাকারচক্র মরিয়া হয়ে উঠেছে। এই গোষ্ঠী, নয়নের ভাষায়—
“৭৫ এর প্রতিশোধ নিয়েছে হাসিনা, ৭১ এর প্রতিশোধ নেয়ার জন্য জামায়াত-আলবদর গোষ্ঠী এখন রিহার্সাল করে ফেলেছে।”
নয়নের স্পষ্ট ভাষায়, এখন সময় ব্যক্তিগত স্বার্থ ত্যাগ করে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াবার। তিনি আহ্বান জানিয়েছেন:
“জাতীয়তাবাদী শক্তি, ঐক্যবদ্ধ হন। বিএনপির কর্মীরা যেন নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বী না ভাবেন, প্রতিপক্ষ ভাবেন আওয়ামী লীগকে, জামায়াতকে, দালাল গোষ্ঠীকে। নচেত হারাবেন প্রিয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব।”
এই আহ্বান কেবল রবিউল ইসলাম নয়নের নয়, এটি এক উদ্দীপ্ত জাতীয়তাবাদীর বিবেকের চিৎকার। এখন সময় ক্ষুদ্র অভিমান, বিভেদ ও স্বার্থপরতা পেছনে ফেলে এক সুরে গাওয়ার—“বাংলাদেশ, তারেক রহমান, ও গণতন্ত্র বাঁচাও।” তা না হলে জাতি আজ যে বিপদসংকেতে, তা আরও ঘনীভূত হবে।
এখনই সময়: ঐক্যই হোক জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রথম অস্ত্র।