• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট চট্টগ্রাম গণপূর্তে দরপত্র সিন্ডিকেটের অভিযোগ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জাকির হোসেনের সম্পদ ও বিল পরিশোধ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন মোহাম্মদপুরে সাবলেট বাসায় নারী ও এক বছরের শিশুর ওপর সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ সংসারের সমীকরণে বড় প্রশ্ন! ৫০ লাখ টাকা দেনমোহর ও দুই সন্তানের ভরণপোষণ দাবি, ঢাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রীর মামলা সৌদি আরবে পাঠানোর নামে ১৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, সর্বস্বান্ত প্রবাসী মিলন মাহফিলে বক্তার পেছনে লাখ টাকা ব্যয়, অথচ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ানো ইমামদের বেতন নিয়ে অবহেলার অভিযোগ; স্থায়ী বেতন কাঠামো প্রণয়নের দাবি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে রাঙ্গুনিয়ায় যুবদলের বিক্ষোভ টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ সেনাসদস্য তিতাস শেখের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের বড় ধাক্কা, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যশোরের বেনাপোলে মোটরসাইকেল মিছিল করেছেন স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ ও ৮৯১-এর নেতাকর্মীরা। ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনায় বেনাপোলকে আধুনিক সীমান্ত নগরী গড়ার প্রত্যয়, জনআস্থার রাজনীতিতে আবু তাহের ভারত

চট্টগ্রাম গণপূর্তে দরপত্র সিন্ডিকেটের অভিযোগ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জাকির হোসেনের সম্পদ ও বিল পরিশোধ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন

বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ডেস্ক রিপোর্ট / ২০ Time View
Update : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

 

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকার সংস্কারকাজে দরপত্র মূল্যায়ন নিয়ে বিতর্ক; ব্যাংক হিসাব, এফডিআর ও পারিবারিক সম্পদের উৎস অনুসন্ধানের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম গণপূর্ত বিভাগ-১-এর আওতাধীন সরকারি উন্নয়ন ও সংস্কারকাজের দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, নির্দিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা প্রদান, কাজের অগ্রগতি যথাযথভাবে যাচাই না করে বিল পরিশোধ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব ও আর্থিক লেনদেন যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী ও ঠিকাদারদের একাংশ।

অভিযোগকারীদের দাবি, চট্টগ্রাম গণপূর্ত বিভাগ-১-এর আওতাধীন বিভিন্ন সরকারি স্থাপনার উন্নয়ন ও সংস্কারকাজে একটি প্রভাবশালী ঠিকাদারি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দরপত্রের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ প্রভাবিত করে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি, কাজের গুণগত মান এবং চুক্তির শর্ত যথাযথভাবে যাচাই না করেই সরকারি অর্থ পরিশোধের অভিযোগও সামনে এসেছে।

দরপত্র মূল্যায়নে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন

অভিযোগ অনুযায়ী, বিভিন্ন প্রকল্পের দরপত্রে কারিগরি যোগ্যতা, আর্থিক প্রস্তাব, প্রাক্কলিত ব্যয় এবং মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রস্তাব উপেক্ষা করে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার জন্য প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ঠিকাদার।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কোনো কোনো ক্ষেত্রে কম দর প্রস্তাবকারী প্রতিষ্ঠান থাকা সত্ত্বেও তুলনামূলক বেশি দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট দরপত্রের মূল নথি, মূল্যায়ন প্রতিবেদন এবং কার্যাদেশ স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকার কাজ নিয়ে বিতর্ক

অভিযোগের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন স্থাপনার সংস্কার ও মেরামতকাজ। ভবনের দরজা-জানালা মেরামত, বহিরাংশের প্লাস্টার, অভ্যন্তরীণ রং এবং সিভিল ও স্যানিটারি সংস্কারসহ সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য সরকারি প্রাক্কলিত ব্যয় প্রায় ৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, দরপত্রে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তুলনামূলক কম দর প্রস্তাব করলেও প্রাক্কলিত ব্যয়ের চেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বেশি দর দেওয়া একটি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

এক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠেছে, সংশ্লিষ্ট দরপত্রে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর যোগ্যতা কীভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছিল, সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান কেন বিবেচিত হয়নি, কার্যাদেশ প্রদানের সিদ্ধান্তের পেছনে কী যুক্তি ছিল এবং কাজের বাস্তব অগ্রগতি যাচাই করে বিল পরিশোধ করা হয়েছিল কি না।

এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি, অংশগ্রহণকারীদের আর্থিক প্রস্তাব, মূল্যায়ন প্রতিবেদন, কার্যাদেশ, চুক্তিপত্র, মাপবই এবং বিল-ভাউচার যাচাই করা জরুরি।

একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যোগসাজশের অভিযোগ

অভিযোগে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাকির হোসেনের পাশাপাশি উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রিয়াদুন উন নবী, সহকারী প্রকৌশলী ফরহান শাহরিয়ার এবং উপসহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলামের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের দরপত্র নিয়ন্ত্রণ, কাজের তদারকি, গুণগত মান যাচাই এবং বিল পরিশোধের বিভিন্ন পর্যায়ে এসব কর্মকর্তার ভূমিকা তদন্ত করা প্রয়োজন।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাঁদের প্রত্যেকের দায়িত্ব, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং সংশ্লিষ্ট নথিতে স্বাক্ষরের বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন।

ঠিকাদারদের অভিযোগ: প্রতিযোগিতার পরিবেশ বাধাগ্রস্ত

মাদার বিল্ডার্সের স্বত্বাধিকারী সাইফুল ইসলাম রাজুসহ কয়েকজন ঠিকাদার গণপূর্ত বিভাগের দরপত্র ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

তাঁদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট কিছু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ফলে অন্য যোগ্য ঠিকাদাররা প্রতিযোগিতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের লিখিত বক্তব্য, দরপত্রে অংশগ্রহণের প্রমাণ এবং কার্যাদেশসংক্রান্ত নথি সংগ্রহ করা হলে প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হতে পারে।

কর্মকর্তা ও পরিবারের সম্পদ নিয়ে অনুসন্ধানের দাবি

মোহাম্মদ জাকির হোসেনের নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল সম্পদ থাকার অভিযোগও সামনে এসেছে। অভিযোগে তাঁর ব্যবহৃত প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের একটি গাড়ি এবং পরিবারের সদস্যদের ব্যবহারের জন্য প্রায় ৯০ লাখ টাকা মূল্যের আরেকটি গাড়ির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া সোনালী ব্যাংকে তাঁর নিজের নামে ১০টি এবং স্ত্রীর নামে ছয়টি এফডিআর থাকার দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি ছেলে-মেয়ে ও নিকটাত্মীয়দের নামে ১৫টি সঞ্চয়পত্র থাকার অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেছেন, পরিবারের সদস্য এবং শ্বশুরবাড়ির নিকটাত্মীয়দের নামেও বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে হিসাব ও সম্পদ রয়েছে, যেগুলোর অর্থের উৎস অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।

তবে এসব সম্পদের মালিকানা, প্রকৃত মূল্য, ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা এবং অর্থের উৎস সম্পর্কে কোনো যাচাইকৃত ব্যাংক নথি বা সম্পদ বিবরণী প্রকাশ্যে উপস্থাপিত হয়নি। ফলে এসব তথ্যকে আপাতত অভিযোগ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আয়কর রিটার্ন, সম্পদ বিবরণী, বৈধ আয়ের উৎস এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক নথি যাচাই ছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সমীচীন নয়।

অভিযোগে আরও তিনটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ভুয়া প্রকল্প তৈরি করে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের কথাও বলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম, মালিকানা, প্রকল্পের তালিকা এবং সংশ্লিষ্ট লেনদেনের নথি প্রকাশ ও যাচাই করা হলে এ অভিযোগের বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব।

দুদকের তদন্ত ও বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞার দাবি

অভিযোগকারীদের দাবি, এর আগেও দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদক) সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে অভিযোগ দেওয়া হলেও তাঁরা দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে পাননি। এ অবস্থায় মোহাম্মদ জাকির হোসেন ও তাঁর পরিবারের সম্পদের বৈধ উৎস, ব্যাংক হিসাব, এফডিআর, সঞ্চয়পত্র এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক সম্পর্ক খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

একই সঙ্গে তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় আইনগত ভিত্তি ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে তাঁর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবিও উঠেছে।

অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না হলে দুদকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হতে পারে।

যেসব নথি যাচাই করা জরুরি

অভিযোগের প্রকৃত চিত্র উদ্‌ঘাটনে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর দরপত্র বিজ্ঞপ্তি, দরদাতাদের আর্থিক প্রস্তাব, কারিগরি মূল্যায়ন প্রতিবেদন, কার্যাদেশ, চুক্তিপত্র, মেজারমেন্ট বুক (এমবি), কাজ সম্পন্নের সনদ, বিল-ভাউচার, পরিদর্শন প্রতিবেদন এবং অর্থ ছাড়ের নথি পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকানা, প্রকৃত সুবিধাভোগী, প্রকৌশলীদের সঙ্গে ব্যবসায়িক বা আর্থিক যোগসূত্র এবং সরকারি অর্থের চূড়ান্ত ব্যবহার যাচাই করা জরুরি।

বক্তব্য পাওয়া যায়নি

এসব অভিযোগের বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাকির হোসেনের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগের সূত্রে জানা গেছে। তবে তিনি ফোন রিসিভ করেননি এবং হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো বার্তারও জবাব পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট অন্য কর্মকর্তাদের বক্তব্যও এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

DBPS-এর পর্যবেক্ষণ

সরকারি উন্নয়নকাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনস্বার্থ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অংশ। কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেই তাঁকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। একইভাবে অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া বিষয়টি উপেক্ষা করাও সমীচীন নয়।

দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ (DBPS) মনে করে, অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে দুদক, গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধান প্রয়োজন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে; আর অভিযোগ অসত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সুনাম ও অধিকারও সুরক্ষিত রাখতে হবে।


More News Of This Category
bdit.com.bd