কেরানীগঞ্জ মডেল থানা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার খালাস দেওয়ার জন্য
নিজস্ব প্রতিবেদক
কেরানীগঞ্জ থানা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড আসামিকে বেকুসল খালাস দেওয়ার জন্য
মামলা নং:-নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা নম্বর ৭৪২/২০২১ কদমতলী থানা মামলা নম্বর ২০(০২)২০২১।
বাদি মোসাঃ জোসনা বেগম,পিতা-মোঃ খলিল মৃধা,মাতা-মোসাঃ তাসলিমা বেগম,স্বামী- মোঃ শহিদ শরীফ,স্থায়ী সাং- তেলখালী,থানা- পটুয়াখালী সদর,জেলা-পটুয়াখালী,বর্তমানে-২৬৬ হাজী সলিমুল্লাহ রোড,হেলুদের বাড়ীর ভাড়াটিয়া,মাতবর বাজার,থানা- কদমতলী,জেলা- ঢাকা।
বয়স-৪৬,পেশা-গৃহিনী,ধর্ম- ইসলাম,জাতীয়তা-বাংলাদেশী।
বিবাদি- আসামি মোঃ আহসান উল্লাহ দুলাল,পিতা-মৃত আব্দুল মালেক,মাতা-মৃত মালেকা বেগম,স্থায়ী ঠিকানা- চান্দন,পোঃ চিতোষী বাজার,থানা-শাহরাস্তি,জেলা-চাঁদপুর,পেশা-সিকিউরিটি গার্ড, বয়স-৪৯ বছর,ধর্ম-ইসলাম,জাতীয়তা-
বাংলাদেশী।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানা
কদমতলী ঢাকা
মাননীয় আদালত,
মোহাম্মদ আহসানুল্লাহ দুলাল], উক্ত মামলার একজন নির্দোষ ও নিরপরাধ ব্যক্তি। বিগত ৩০/০১-২০২৪ ইংরেজি তারিখে একটি আপস নামা বাদী বিবাদী মিলে মাননীয় আদালতে দাখিল করা হলে আদালত তা গ্রহণ না করে আসামিকে যাবজ্জীব কারাদণ্ড দেয় এবং মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে। আমি নিম্নোক্তভাবে বক্তব্য আদালতের সদয় বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করছি:
মামলার এজাহারে অভিযোগ আনা হয়েছে যে আমি ভিকটিমকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেছি। কিন্তু বাস্তবে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ভিকটিমের পরিবারের সঙ্গে আমাদের পূর্ব থেকে পারিবারিক/সম্পত্তিগত/পারস্পরিক বিরোধ রয়েছে, যার ফলস্বরূপ এই মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
২.ভিকটিমের জবানবন্দি এবং এজাহারের তথ্য পরস্পরবিরোধী, যা মামলাটির ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
৩. প্রমাণের অভাব:
এই মামলার সঙ্গে সংযুক্ত মেডিকেল রিপোর্টে আমার বিরুদ্ধে দেয়া হয় নির্যাতনের কোনো সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। এছাড়া কোনো নিরপেক্ষ সাক্ষী আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি।
৪. উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা:
আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার একজন ভালো ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। ভিকটিমের পরিবারের সাথে পূর্ববিরোধের জের ধরে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় ও আইনি জটিলতায় ফেলার উদ্দেশ্যে এই মামলা করা হয়েছে।
৫. আসামির আচার-আচরণ ও সামাজিক অবস্থা:
আমি একজন শান্তিপ্রিয় আইনের পতি শ্রদ্ধাশীল নাগরিক। এর আগে কখনও কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলাম না। সমাজে আমার বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অভিযোগ নেই।,
আমি আদালতের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি যে, মামলাটি যথাযথভাবে তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করা হোক এবং একজন নির্দোষ ব্যক্তিকে হয়রানি বা সাজা প্রদান না করা হোক।
মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে। নিম্নোক্তভাবে বক্তব্য আদালতের সদয় বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করছি:
মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দৃষ্টি আকর্ষণ করছি উক্ত আসামিকে সুস্থ তদন্ত করে বেকুসল খালাস প্রদান করার জন্য আসামি পক্ষের দাবি