• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুকে কনডেম সেলে রাখার অভিযোগ: ২৪ ঘণ্টার আইনি আলটিমেটাম, অন্যথায় হাইকোর্টে রিট পুরোনো ভিডিও নতুন করে ছড়িয়ে বিজিবির বিরুদ্ধে অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারে সতর্ক করল সীমান্তরক্ষী বাহিনী হাসিনাপুত্রের সঙ্গে এক হওয়ার মিথ্যা ন্যারেটিভ ছড়িয়েছে আমার দেশ’: ফেসবুক পোস্টে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে রাশেদ খানের ক্ষোভ গৌরনদী উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী আলহাজ্ব আবুল হোসেন মিয়ার গণসংযোগ: জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা রাজপথের রাজনৈতিক সংগ্রাম থেকে জনসেবায় আসার প্রত্যয়; মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ, অসহায় ও নির্যাতিত নারীদের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার একটি স্বপ্নবাজ পাখি উড়ে গেল আকাশে তাহসিফ সাউরীর মৃত্যু ঘিরে নতুন প্রশ্ন, নিরপেক্ষ তদন্ত ও জবাবদিহির দাবিতে সরব বন্ধু ইন্তিসার ইনজিমাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ: ইউজিসির তদন্তে একাধিক অভিযোগের সত্যতা না মেলায় অধ্যাপক মোজাম্মেল হকের পেশাগত মর্যাদা ও অবস্থান পুনর্মূল্যায়নে সরকারি বাসা ভাড়া বা সাবলেট দিলেই বরাদ্দ বাতিল, ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটিয়া সরানোর চূড়ান্ত নির্দেশ বেনাপোলে ছাত্রদল নেতাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি, প্রবাসে স্বামী, অন্যত্র সম্পর্কের অভিযোগ: কালীগঞ্জে নারী ও মাদ্রাসাশিক্ষক আটক, কারাগারে পাঠানোর দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য

যশোরের ঝিকরগাছায় ‘গ্রিন ভিউ’ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, আদালতে ৯ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলা

বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ডেস্ক রিপোর্ট / ৪৬ Time View
Update : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

 

যশোরের ঝিকরগাছায় ‘গ্রিন ভিউ’ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, আদালতে ৯ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলা

বাঁকড়া এলাকায় বিনিয়োগ ও মাসিক মুনাফার প্রতিশ্রুতিতে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ; আদালতের নথিতে জাহাঙ্গীর কবীরের বিরুদ্ধে ৯ লাখ টাকার চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার তথ্য, ভুক্তভোগীদের দাবি—পাওনা টাকা ফেরত চান তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক | যশোর

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া এলাকায় ‘গ্রিন ভিউ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে অর্থ লেনদেন ও পাওনা টাকা ফেরত না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে জাহাঙ্গীর কবীর নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীদের দাবি, মাসিক মুনাফা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে তাঁর কাছে অর্থ বিনিয়োগ করে একাধিক ব্যক্তি এখন আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ বড় অঙ্কের অর্থ হারানোর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তবে মোট কত টাকা লেনদেন হয়েছে, কতজন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং অভিযোগে উল্লিখিত অর্থের পরিমাণ কত—তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এ ঘটনায় আদালতের নথিতে মোসাঃ নাজনীন নাহারের দায়ের করা একটি চেক ডিজঅনার মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। মামলাটি ২০২৪ সালের সেশন মামলা নং ২৪১২ হিসেবে যশোরের প্রথম যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে নথিভুক্ত হয়। সরবরাহ করা রায়ের শিরোনাম ও বিবরণ অনুযায়ী, মামলাটি নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারায় দায়ের করা হয়েছিল। নথিতে নয় লাখ টাকার একটি চেক অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।

তবে মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ের আদেশাংশ, সাজা বা খালাসের সিদ্ধান্ত এবং রায়ের বিরুদ্ধে কোনো আপিল হয়েছে কি না—এসব তথ্য সরবরাহ করা অংশ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে মামলাটির চূড়ান্ত পরিণতি সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো বক্তব্য দেওয়া যাচ্ছে না।

নয় লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের অভিযোগ

সরবরাহ করা আদালতের নথি অনুযায়ী, বাদী মোসাঃ নাজনীন নাহার অভিযোগ করেন, বাঁকড়া বাজার এলাকায় ‘গ্রিন ভিউ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাঙ্গীর কবীর তাঁকে মাসিক লভ্যাংশ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নয় লাখ টাকা গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী লভ্যাংশ না পাওয়ায় তিনি নিজের পাওনা অর্থ ফেরত চান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

নথির বিবরণে বলা হয়েছে, পাওনা টাকা পরিশোধের উদ্দেশ্যে ২০২২ সালের ১০ নভেম্বর জাহাঙ্গীর কবীরের স্বাক্ষর করা জনতা ব্যাংক লিমিটেডের বাঁকড়া বাজার শাখার একটি চেক নাজনীন নাহারকে দেওয়া হয়। চেকটির হিসাব নম্বর 0100048588519 এবং চেক নম্বর 9352613 বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। চেকে টাকার পরিমাণ ছিল নয় লাখ।

বাদীর অভিযোগ অনুযায়ী, চেকটি ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে তা প্রত্যাখ্যাত হয়। নথির বিভিন্ন অংশে চেক ডিজঅনারের তারিখ নিয়ে কিছু পার্থক্য রয়েছে। আর্জিতে ২৮ নভেম্বর ২০২২ উল্লেখ করা হলেও রায়ের বিবরণে ২৪ নভেম্বর ২০২২ তারিখের কথা বলা হয়েছে। মূল ব্যাংক নথি ও ডিজঅনার স্লিপ পরীক্ষা ছাড়া এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।

আইনি নোটিশ পাঠানোর পরও টাকা না পাওয়ার দাবি

আদালতে দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়েছে, বাদী তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে ২০২২ সালের ২৯ নভেম্বর বিবাদীকে পাওনা টাকা পরিশোধের দাবি জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠান। নথি অনুযায়ী, নোটিশটি ৬ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে ফেরত আসে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ডাকযোগে নোটিশটি প্রাপকের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

বাদীপক্ষের দাবি, নোটিশ ফেরত আসা এবং পরবর্তী সময়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করার পর তাঁরা আইনগত প্রতিকার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন। অভিযোগের ভিত্তিতে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

এ ক্ষেত্রে আইনি নোটিশের সঠিক প্রেরণ, নোটিশ পৌঁছানোর আইনগত শর্ত, চেক প্রত্যাখ্যানের তারিখ এবং মামলা দায়েরের সময়সীমা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসব তথ্য মূল নথি থেকে যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগপত্রে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা এবং আদালতে তা চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়।

কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ভুক্তভোগীদের

এদিকে মিজানুর রহমানসহ কয়েকজন ব্যক্তি দাবি করেছেন, জাহাঙ্গীর কবীরের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে অর্থ দেওয়ার পর তাঁরা প্রত্যাশিত অর্থ ফেরত পাননি। তাঁদের কেউ কেউ কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তুলেছেন।

তবে অভিযোগকারীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোট ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সংখ্যা, প্রত্যেকের বিনিয়োগের পরিমাণ, অর্থ গ্রহণের সময়কাল এবং মোট পাওনার অঙ্ক নির্ভরযোগ্য নথি দিয়ে যাচাই করা যায়নি। তাই কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগকে এ মুহূর্তে অভিযোগকারীদের বক্তব্য হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে; প্রমাণিত সত্য হিসেবে নয়।

অর্থ লেনদেনের রসিদ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চুক্তিপত্র, প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধনসংক্রান্ত কাগজপত্র এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের লিখিত বক্তব্য পাওয়া গেলে অভিযোগগুলোর প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হতে পারে।

‘গ্রিন ভিউ’ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন

অভিযোগে বাঁকড়া বাজার এলাকায় ‘গ্রিন ভিউ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত আইনগত পরিচয়, নিবন্ধনের ধরন, পরিচালনাকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো বৈধ অনুমোদন রয়েছে কি না—এসব বিষয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

প্রতিষ্ঠানটি এনজিও, সমবায়, বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান নাকি অন্য কোনো ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হতো, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের নথি পরীক্ষা করা জরুরি। একই সঙ্গে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের ক্ষেত্রে কী ধরনের চুক্তি বা আর্থিক শর্ত ব্যবহার করা হয়েছিল, সেটিও অনুসন্ধানের বিষয়।

যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনুমোদন ছাড়া জনসাধারণের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ, প্রতারণা কিংবা বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ ওঠে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। তবে শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটিকে অবৈধ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা সমীচীন নয়।

ভুক্তভোগীদের দাবি, পাওনা টাকা ফেরত চান তাঁরা

অভিযোগকারীদের বক্তব্য, তাঁরা নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত পেতে চান এবং বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত করা হোক। মিজানুর রহমানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের মোবাইল নম্বর ০১৩৪৪৩২৭৩৭৩।

তাঁদের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে প্রত্যেক অভিযোগকারীর পৃথক বক্তব্য, আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর নথি সংগ্রহ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে জাহাঙ্গীর কবীরের বক্তব্য জানা এবং তাঁর কাছে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে জবাব চাওয়া জরুরি।

প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা

অভিযোগের বিষয়ে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থার বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন থাকলে তার অগ্রগতি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা রয়েছে কি না এবং আদালতের সর্বশেষ আদেশ কী—এসব তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে সামগ্রিক চিত্র নির্ধারণ করা যেতে পারে।

কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা যেমন জরুরি, তেমনি অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে আগাম অপরাধী ঘোষণা না করাও গুরুত্বপূর্ণ। ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার ও অর্থ ফেরত পাওয়ার অধিকার রক্ষার পাশাপাশি অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

অভিযুক্তের বক্তব্য পাওয়া যায়নি

এই প্রতিবেদন তৈরির জন্য সরবরাহ করা তথ্য ও আদালতের নথির অংশ পর্যালোচনা করা হয়েছে। তবে জাহাঙ্গীর কবীরের সরাসরি বক্তব্য, তাঁর আইনজীবীর মন্তব্য এবং ‘গ্রিন ভিউ’ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। সংশ্লিষ্ট থানার বক্তব্য এবং মামলার সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করাও প্রয়োজন।

দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ-এর পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হচ্ছে, আদালতের নথিতে উল্লিখিত নয় লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলার তথ্য এবং ভুক্তভোগীদের দেওয়া অভিযোগ পৃথকভাবে বিবেচনা করা হয়েছে। কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের স্বাধীন প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও প্রামাণ্য নথি পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন বা হালনাগাদ করা হবে।


More News Of This Category
bdit.com.bd