• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট নারীর মেসেঞ্জারে পুরুষাঙ্গের ছবি পাঠানোর অভিযোগ মোঃ দিদারের বিরুদ্ধে, সাইবার আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা, মালিকানা ও ট্রাস্ট নিয়ে পুরোনো বিরোধ: ২০১৪ সালের জেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে একাধিক গুরুতর অসংগতি ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদী শাসনের পথ বন্ধে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মাদক-সন্ত্রাস, দখলবাজি ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়তে ফখরুল ইসলাম এমপির আহ্বান হাতিয়ায় জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন: যুব র‍্যালি, ঋণের চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ৮ মামলার বাধা পেরিয়ে এবার ইলিয়টগঞ্জ উত্তর ইউপির চেয়ারম্যান হওয়ার প্রত্যাশায় দুলাল সরকার বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ, থোয়াইচিং মং শাককে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের কারণ দর্শানোর নোটিশ মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: এমপি নূরুল ইসলাম নয়ন সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুকে কনডেম সেলে রাখার অভিযোগ: ২৪ ঘণ্টার আইনি আলটিমেটাম, অন্যথায় হাইকোর্টে রিট পুরোনো ভিডিও নতুন করে ছড়িয়ে বিজিবির বিরুদ্ধে অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারে সতর্ক করল সীমান্তরক্ষী বাহিনী

শার্শার ডিহি ইউনিয়নে সারের ডিলার নিয়োগে নজিরবিহীন অনিয়ম ও দুর্নীতি: ত্যাগী ব্যবসায়ীকে বাদ দিয়ে নবাগতকে লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার নেপথ্যে কার হাত?

বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ডেস্ক রিপোর্ট / ১২০ Time View
Update : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

শার্শার ডিহি ইউনিয়নে সারের ডিলার নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ: ত্যাগী ব্যবসায়ীকে বাদ দিয়ে নবাগতকে লাইসেন্স দেওয়ার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর ক্ষোভ

খুলনা (যশোর) প্রতিনিধি:

যশোর জেলার শার্শা উপজেলার ১ নং ডিহি ইউনিয়নের মেসার্স সরদার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী এস. এম. আ: হক কেবল একজন ব্যবসায়ী নন, বরং সততা, রাজনৈতিক নিষ্কলুষ নিষ্ঠা এবং অদম্য সহনশীলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দীর্ঘ দেড় দশক ধরে অগণিত রাজনৈতিক নিপীড়ন, অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হয়েও তিনি কখনোই নিজের আদর্শ ও ন্যায়ের পথ থেকে বিচ্যুত হননি। অত্যন্ত অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এমন একজন ত্যাগী, বহু অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এবং সর্বজনশ্রদ্ধেয় সার ব্যবসায়ীকে বাদ দিয়ে সারের ডিলারশিপ নিয়োগে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির চক্রান্ত চালানো হচ্ছে।

মাঠপর্যায়ে নিরপেক্ষ পরিদর্শনে যদি আবেদনকারীর অভিজ্ঞতা, সততা ও দোকানে কোনো ভুল-ভ্রান্তি বা ঘাটতি না পাওয়া যায়, তবে পরবর্তীতে চূড়ান্ত তালিকায় নাম বাদ পড়াটা কেবল রহস্যজনকই নয়—বরং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সুশাসনের ওপর বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন দাঁড় করায়।

১. তথ্য গোপন নাকি অদৃশ্য চাপ? পরিদর্শনকারী কর্মকর্তারা যদি নিরপেক্ষ তথ্য নিয়ে থাকেন, তবে জেলা বা মন্ত্রণালয়ে গিয়ে সেই তালিকা কীভাবে পরিবর্তিত হলো? এখানে কি কোনো অসাধু চক্রান্ত কাজ করেছে, নাকি তদন্তকারী কর্মকর্তারা জনসম্মুখে এক কথা বলে প্রশাসনিক নথিতে অন্য তথ্য দিয়েছেন?

২. জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি: সরকারি নীতিমালার মূল ভিত্তিই হলো স্বচ্ছতা। যদি কোনো প্রার্থীর আবেদনে ত্রুটি থেকে থাকে বা তাকে বাদ দেওয়া হয়, তবে তার সুনির্দিষ্ট কারণ জনসম্মুখে ও আবেদনকারীকে লিখিতভাবে জানাতে বাধ্যবাধকতা রয়েছে। মিথ্যা বা গোপন তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা প্রশাসনিক জবাবদিহিতার স্পষ্ট লঙ্ঘন।

দীর্ঘ দেড় দশক ধরে রাজনৈতিক নির্যাতন ও ক্ষতির শিকার হওয়া একজন সৎ ও অভিজ্ঞ ত্যাগী ব্যবসায়ীকে বঞ্চিত করে অভিজ্ঞতা ছাড়া কাউকে লাইসেন্স দেওয়া কৃষকদের স্বার্থের পরিপন্থী। আমরা চাই শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং জেলা প্রশাসন অতি দ্রুত তদন্ত করে এই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর দিন এবং বিতর্কিত তালিকা পুনর্মূল্যায়ন করে সঠিক বিচার নিশ্চিত করুন।

 

অদম্য মনোবল নিয়ে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে নিজের অধিকার পুনরুদ্ধারে এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে লিখিত আবেদন জানিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ অবস্থান গ্রহণ করেছেন।

সংগ্রাম, আদর্শ ও ত্যাগের এক অনন্য প্রতিকৃতি
অভিযোগপত্র এবং স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, এস. এম. আ: হক দীর্ঘদিন ধরে পাকশিয়া বাজারে সততা ও সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে স্থানীয় কৃষক সমাজ ও সাধারণ মানুষের অগাধ বিশ্বাস অর্জন করেছেন। একই সাথে রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর অবদান অত্যন্ত সুপরিচিত। তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগআহ্বায়ক এবং এর আগে ইউনিয়নের ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করে তৃণমূল পর্যায়ে আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েও তিনি সাহসিকতার সাথে প্রতিনিয়ত প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবেলা করেছেন:

কঠিন রাজনৈতিক নির্যাতন সহ্যের নজির: ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দেওয়ায় দোকানে তাণ্ডব চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। তৎকালীন সময়ে তাঁর ওপর সংঘটিত চরম বর্বরতার প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপির তৎকালীন স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম নিজে যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বিচার দাবি করেছিলেন।

মিথ্যা মামলার শিকল ভেঙে সত্যের পথে: ২০১৮ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন, ২০২৩ সালের অক্টোবরের নাশকতা মামলা এবং ২০২২ সালের জুন মাসের মিথ্যা মামলাসহ অসংখ্য গায়েবি মামলায় তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হয়েছে এবং কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু কোনো জুলুম-নির্যাতনই তাঁর নীতি ও আদর্শকে টলাতে পারেনি।

ন্যায্যতা লঙ্ঘন ও নিয়োগে কারসাজি
বর্তমানে শার্শা ১ নং ডিহি ইউনিয়নে ডিলার নিয়োগে যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হচ্ছে, তা তাঁর মতো একজন অভিজ্ঞ ও অদম্য সংগ্রামীর প্রতি চরম অবিচার:

অভিজ্ঞতাহীন নবাগতকে অগ্রাধিকার প্রদান: বিগত দিনে কোনো ত্যাগ না থাকা এবং ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও নবাগত রফিকুল ইসলাম (নিউ সততা ট্রেডার্স)-কে ডিলার হিসেবে পছন্দ করার যে অভিযোগ উঠেছে, তা যোগ্যতার চরম অবমূল্যায়ন।

ষড়যন্ত্রমূলকভাবে নাম বাদ দেওয়া: ডিহি ইউনিয়নের ১৫ জন আবেদনকারীর মধ্যে থেকে মাঠ পর্যায়ে তদন্ত সাপেক্ষে শার্শা উপজেলা থেকে চূড়ান্ত ৩ জনের নাম যশোরে পাঠানো হলেও অত্যন্ত রহস্যজনক কারণে কৃষি মন্ত্রণালয়ে প্রেরিত তালিকায় ভুক্তভোগী এস. এম. আ: হকের নাম উহ্য রাখা হয়েছে। অথচ তিনি পূর্বের আমলেও দক্ষতা ও সুনামের সাথে সারের ডিলারশিপ পরিচালনা করেছেন।

 

 

আইনি দৃষ্টিকোণ ও ন্যায়বিচারের রূপরেখা
আইন বিশেষজ্ঞ এবং সুশীল সমাজের মতে, একজন বৈধ ও অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী এবং রাজনৈতিকভাবে নির্যাতিত নাগরিকের অধিকার হরণ করা রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক সুশাসনের পরিপন্থী। সরকারি নীতিমালায় স্বচ্ছতা, অভিজ্ঞতা এবং প্রার্থীর সততাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা অসাধু উদ্দেশ্যে যদি যোগ্য প্রার্থীকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়, তবে তা দণ্ডনীয় অপরাধ। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বজায় রাখতে এই অনিয়মের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নেত করে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

প্রশাসনের জরুরি পদক্ষেপ ও আশু ন্যায়বিচার কামনা
এস. এম. আ: হক যে সাহসিকতার সাথে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে তদন্ত ও ন্যায়বিচারের আবেদন জানিয়েছেন, তা স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মনে পুনরায় আশা জাগিয়েছে। সচেতন নাগরিক সমাজের দাবি, অবিলম্বে কৃষি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো তালিকা পুনর্মূল্যায়ন করে এই অকুতোভয় ও ত্যাগী নেতা-ব্যবসায়ীকে তাঁর প্রাপ্য ডিলারশিপ প্রদান করা হোক।

যশোর জেলার শার্শা উপজেলার ১ নং ডিহি ইউনিয়নে সারের ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ দেড় দশক (২০০৯ থেকে ২০২৬) রাজনৈতিক নিপীড়ন, হামলা-মামলা ও অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার হওয়া দলের এক ত্যাগী নেতা ও অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীকে বাদ দিয়ে এক নবাগতকে ডিলারশিপ দেওয়ার নেপথ্যে চক্রান্তের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভে ফুসে উঠেছেন স্থানীয় সাধারণ কৃষক ও সচেতন এলাকাবাসী।

 

 

১. দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস: ২০০৯ থেকে ২০২৬ এর ত্যাগ ও নির্যাতন

শার্শার ১ নং ডিহি ইউনিয়নের মেসার্স সরদার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী এস. এম. আব্দুল হক কেবল একজন ব্যবসায়ী নন; তিনি রাজনৈতিক নিষ্কলুষ নিষ্ঠা ও সততার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি শার্শা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন-আহ্বায়ক এবং পূর্বে ইউনিয়নের ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেছেন।

২০০৯ সালের বর্বর হামলা ও চাঁদাবাজি: ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরই তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তাণ্ডব চালায় একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তাঁর কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় এবং চাঁদা না দেওয়ায় দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট করে জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়া হয়। তৎকালীন সময়ে তাঁর ওপর সংঘটিত এই বর্বরতার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপির তৎকালীন স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম তরিকুল ইসলাম স্বয়ং যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বিচারের দাবি জানিয়েছিলেন।

গায়েবি মামলার শিকল: ২০১৮ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন, ২০২২ সালের জুন মাসের মিথ্যা মামলা এবং ২০২৩ সালের অক্টোবরের নাশকতা মামলাসহ অসংখ্য গায়েবি মামলায় তাঁকে বারবার রাজনৈতিকভাবে হয়রানি ও কারারুদ্ধ করা হয়।

অদম্য সহনশীলতা: দীর্ঘ দেড় দশক ধরে চরম জুলুম, নিগ্রহ ও আর্থিক ক্ষতি সহ্য করেও তিনি কখনো নিজের রাজনৈতিক আদর্শ ও ন্যায়ের পথ থেকে বিচ্যুত হননি।

২. ডিলার নিয়োগে নজিরবিহীন কারসাজি ও অনিয়ম
বিগত দিনে বিসিআইসি ডিলার হিসেবে দক্ষতা ও সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও এবার সারের ডিলারশিপ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তাঁর সাথে চরম অবিচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠে এসেছে:

অভিজ্ঞতাহীন নবাগতকে অগ্রাধিকার: বিগত দিনে কোনো রাজনৈতিক ত্যাগ না থাকা এবং সার ব্যবসার ন্যূনতম অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও রফিকুল ইসলাম (নিউ সততা ট্রেডার্স)-কে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে ডিলার হিসেবে পছন্দের অভিযোগ উঠেছে, যা যোগ্যতার চরম অবমূল্যায়ন।

রহস্যজনকভাবে নাম বাদ: ডিহি ইউনিয়নের ১৫ জন আবেদনকারীর মধ্য থেকে মাঠপর্যায়ে তদন্ত শেষে উপজেলা থেকে চূড়ান্ত ৩ জনের তালিকা জেলায় পাঠানো হয়। কিন্তু অত্যন্ত রহস্যজনকভাবে কৃষি মন্ত্রণালয়ে প্রেরিত চূড়ান্ত তালিকা থেকে অভিজ্ঞ ও ত্যাগী ব্যবসায়ী এস. এম. আব্দুল হকের নাম উহ্য রাখা হয়।

৩. আইনি দৃষ্টিকোণ ও সুশাসনের প্রশ্ন
আইন বিশেষজ্ঞ ও সুশীল সমাজের মতে, একজন বৈধ, অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী এবং রাজনৈতিকভাবে নির্যাতিত নাগরিকের অধিকার হরণ করা রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক সুশাসনের নীতিমালার পরিপন্থী। সরকারি নীতিমালায় স্বচ্ছতা, ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা এবং প্রার্থীর সততাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। অনৈতিক সুবিধা বা ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হলে তা প্রশাসনিক অনিয়মের শামিল।

৪. প্রতিকার চেয়ে ইউএনও বরাবর লিখিত আবেদন
নিজের অধিকার পুনরদ্ধার এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এস. এম. আব্দুল হক অদম্য মনোবল নিয়ে শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এর দপ্তরে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। তিনি এই অনিয়মের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন।

৫. এলাকাবাসী ও কৃষক সমাজের ক্ষোভ এবং দাবি
দীর্ঘদিন নির্যাতিত একজন ত্যাগী নেতা ও সৎ ব্যবসায়ীকে বঞ্চিত করার সংবাদে ১ নং ডিহি ইউনিয়নের কৃষক ও সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল ও কৃষক সমাজের জোর দাবি:
১. অবিলম্বে কৃষি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো বিতর্কিত তালিকাটি স্থগিত করে পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে।

২. অভিজ্ঞ, সৎ ও ত্যাগী ব্যবসায়ী এস. এম. আব্দুল হককে তাঁর প্রাপ্য সারের ডিলারশিপ প্রদান করতে হবে।

৩. নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জড়িত চক্রকে চিহ্নিত করে দ্রুত আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি, অবিলম্বে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় এনে অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক এবং সত্য ও ন্যায়কে সমুন্নত রাখা হোক।

মাঠপর্যায়ে নিরপেক্ষ পরিদর্শনে যদি আবেদনকারীর অভিজ্ঞতা, সততা ও দোকানে কোনো ভুল-ভ্রান্তি বা ঘাটতি না পাওয়া যায়, তবে পরবর্তীতে চূড়ান্ত তালিকা থেকে নাম বাদ পড়াটা কেবল রহস্যজনকই নয়—বরং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সুশাসনের ওপর বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন দাঁড় করায়।

ভুক্তভোগী ও সচেতন মহলের প্রশ্ন:
১. তথ্য গোপন নাকি অদৃশ্য চাপ? পরিদর্শনকারী কর্মকর্তারা যদি নিরপেক্ষ তথ্য নিয়ে থাকেন, তবে জেলা বা মন্ত্রণালয়ে গিয়ে সেই তালিকা কীভাবে পরিবর্তিত হলো? এখানে কি কোনো অসাধু চক্রান্ত কাজ করেছে, নাকি তদন্তকারী কর্মকর্তারা জনসম্মুখে এক কথা বলে প্রশাসনিক নথিতে অন্য তথ্য দিয়েছেন?
২. সুনির্দিষ্ট কারণ প্রকাশের দাবি: সরকারি নীতিমালার মূল ভিত্তিই হলো স্বচ্ছতা। যদি কোনো প্রার্থীর আবেদনে ত্রুটি থেকে থাকে বা তাকে বাদ দেওয়া হয়, তবে তার সুনির্দিষ্ট কারণ জনসম্মুখে ও আবেদনকারীকে লিখিতভাবে জানানো প্রশাসনিক দায়িত্ব। অস্পষ্ট বা গোপন তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা প্রশাসনিক জবাবদিহিতার স্পষ্ট লঙ্ঘন।

দেড় দশক ধরে প্রতিকূলতার শিকার হওয়া একজন সৎ ও অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীকে বঞ্চিত করে অনভিজ্ঞ কাউকে লাইসেন্স দেওয়া কৃষকদের স্বার্থের পরিপন্থী।

দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদের অবস্থান:
‘দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ’ অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার। আমরা মনে করি, কৃষকের স্বার্থ রক্ষা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং জেলা প্রশাসন অতি দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এই প্রশ্নগুলোর স্পষ্ট উত্তর দেবেন এবং বিতর্কিত তালিকা পুনর্মূল্যায়ন করে সঠিক বিচার নিশ্চিত করবেন।

 

 


More News Of This Category
bdit.com.bd