আমি ওয়ান ম্যান আর্মি”থানা পরিচালনা করি “একাধিক মামলার আসামি কিসের পাওয়ার ভাই আমি তারেক
স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা তারিক “আমি ওয়ান ম্যান আর্মি”কাছে আসলে ২৪ ঘন্টায় পুলিশের বদলি!
২৯-১১-২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহী নগর বোয়ালিয়া থানা সেচ্ছাসেবক দলের পূর্ব শাখার আহবায়ক কমিটির বহিষ্কৃত সদস্য ও বোয়ালিয়া মডেল থানার একাধিক মামলার অন্যতম এজাহারভুক্ত আসামি প্রকাশে বলেন আমি ওয়ান ম্যান আর্মি”থানা পরিচালনা করি। কিসের পাওয়ার ভাই কাছে আসলে ২৪
ঘন্টায় বদলি বোয়ালিয়া থানা পুলিশ কে।এই নগর পরিচালনা করি আমি।এবং প্রকাশে জনগণের সামনে পুলিশকে ক্ষমা চাইতে বলেন মো: তরিকুল ইসলাম তারেক।
এর আগে গত (২৭ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার ভোর রাতে নগরীর কাজলা এলাকায় চুরি করার সময় তাকে ধরে বিদ্যুতের খুটির সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেধে গণধোলাই দিয়েছেন এলাকাবাসী।
একজন চিহ্নিত অপরাধী নামে থানায় একাধিক মামলার থাকার পরে রাজশাহী কোটে চত্বরে একই মামলার আসামি শ্রী দ্বীপ কুমার ও বোবাইকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন কোট।সেই মামলার আসামি কি ভাবে কোট চত্বরে প্রকাশে পুলিশের সামনেই ভিডিও ধারণ করে।আইন-
শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও পুলিশ গ্রেফতার করেছেনা কোনো জানতে চাই সুশীল সমাজ।
দলীয় সূত্রে জানা যায়,গত ১৫ অক্টোবর সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তাকে স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়—দলের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বোয়ালিয়া পূর্ব থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য তারেককে প্রাথমিক সদস্যসহ সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।একইসঙ্গে নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। সিদ্ধান্তে স্বাক্ষর করেন কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী ও সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান।
অভিযোগ ও মামলার চিত্র কি বলে:
১.গত (০৪ অক্টোবর) তরিকুল ইসলাম তারেকের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া মডেল থানায় চাঁদাবাজির মামলা করেন মো: রাশেদ খান মিলনের স্ত্রী মোসা: ইশিতা ইয়াসমিন।থানার মামলা নং ০২,জিআর ২৮১ এজাহারভুক্ত আসামি।
২. (১৫ নভেম্বর) রানীনগর এলাকার মো: মঞ্জুর হোসেনের ছেলে,মো: অমিত হাসান বোয়ালিয়া মডেল থানায় চাঁদাবাজির মামলার করেন।থানার মামলা নং ১৬,জিআর নং ৩৪০,এজাহারভুক্ত ২ নম্বার আসামি তারেক।
৩. ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর কাশিয়াডাঙ্গা থানার মাদক মামলা নং ১৬,সেই মামলার আসামি তারেক।
৪. অভিযোগের শেষ কোথায়,নগরীর ভদ্রা এলাকায় মো: আব্দুল খালেক ছেলে মো: স্বাধীনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘা করে।পরে দোকান ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুট করেন।
একটি ফোর ভি আরটিআর মোটর সাইকেল নিয়ে চলে যায়।পরে দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। বিষয়টি নড়েচড়ে বসলে রাজনৈতিক নেতারা মীমাংসা করে দেয়।
৫. অনুসন্ধানে গেলে স্থানীয়রা বলেন,তরিকুল ইসলাম তারেক বাহিনী অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকায় সাধারণ মানুষ। এদের অত্যাচারে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারেন না। মুখ খুললেই চলে নির্যাতন। তুলে নিয়ে গিয়ে চাঁদাবাজি টাকা দে না হলে মামলা দেবো।
৬. এদের শক্তি কোথায় : কিছু রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়ায় তরিকুল ইসলাম তারেক বাহিনীর নগরীতে গড়ে তুলেছে এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট।এই সিন্ডিকেট নগর জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রাতের আঁধারে চাঁদাবাজি,চুরি,
ছিনতাই,অপহরণ,মাদকসহ নানা কর্মকাণ্ড করে বেড়াচ্ছেন এই শান্তির নগরীতে তবুও অন্ধ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।
৭. তরিকুল ইসলাম তারেক বাহিনীর কোনো সদস্যকে যদি পুলিশ আটক করেন তাহলে সেই অফিসারকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে বদলি করাবো। আমি তারেক ওয়ান ম্যান আর্মি এই শহর আমি পরিচালনা কিসের পাওয়ার ভাই। আমার নাম শুনলেই ভয় পায় পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়া:
রাজশাহী সাহেব বাজার মহল্লার বাসিন্দারা বলছেন—
“রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে ভালো উদাহরণ আশা করি। এ ধরনের ঘটনা প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা হওয়া উচিত।”
নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মন্তব্য: ‘সত্য হলে
দলীয় ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।
চুরির বিষয়ে জানতে রাজশাহী মহানগর জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো: মীর তারেক বলেন,দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় স্বেচ্ছাসেবক দল রাজশাহী নগরীর অধীনে বোয়ালিয়া পূর্ব থানা শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো: তারিকুল ইসলাম তারিক কে দলের সকল পথ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।অপরাধীদের স্বেচ্ছাসেবক দলে কোন ঠাই নাই।
রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন থামছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর স্বেচ্ছাসেবক দলের ভেতরে বিভাজন তৈরি হয়েছে।
মতিহার থানার ওসি মো.আব্দুল মালেক জানান, “চুরির ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ আসেনি। কেউ অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে,বোয়ালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন,অপরাধী কোন দলের আমার জানা নেই,আইন সবার জন্য সমান। তার বিরুদ্ধে থানায় দুইটি মামলা আছে।এজাহার ভূক্ত অপরাধী
কে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে।
জানতে চাইলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র উপ পুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন,
পুলিশের নিকট অপরাধীদের পরিচয় শুধুই অপরাধী। সে মামলার এজাহার নামীয় আসামি। তাকে পেলে গ্রেফতার করা হবে।এবং অপরাধীদের কে গ্রেফতার করতে পুলিশ সদা তৎপর।