• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট নারীর মেসেঞ্জারে পুরুষাঙ্গের ছবি পাঠানোর অভিযোগ মোঃ দিদারের বিরুদ্ধে, সাইবার আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা, মালিকানা ও ট্রাস্ট নিয়ে পুরোনো বিরোধ: ২০১৪ সালের জেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে একাধিক গুরুতর অসংগতি ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদী শাসনের পথ বন্ধে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মাদক-সন্ত্রাস, দখলবাজি ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়তে ফখরুল ইসলাম এমপির আহ্বান হাতিয়ায় জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন: যুব র‍্যালি, ঋণের চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ৮ মামলার বাধা পেরিয়ে এবার ইলিয়টগঞ্জ উত্তর ইউপির চেয়ারম্যান হওয়ার প্রত্যাশায় দুলাল সরকার বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ, থোয়াইচিং মং শাককে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের কারণ দর্শানোর নোটিশ মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: এমপি নূরুল ইসলাম নয়ন সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুকে কনডেম সেলে রাখার অভিযোগ: ২৪ ঘণ্টার আইনি আলটিমেটাম, অন্যথায় হাইকোর্টে রিট পুরোনো ভিডিও নতুন করে ছড়িয়ে বিজিবির বিরুদ্ধে অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারে সতর্ক করল সীমান্তরক্ষী বাহিনী

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের ঐতিহাসিক জাপান সফর উপলক্ষে বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন, বাংলাদেশ–জাপান বন্ধুত্ব ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচনে আশাবাদী জাতি

বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ডেস্ক রিপোর্ট / ৩৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

 

জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদারে নতুন উদ্যোগ

তারেক–তাকাইচি বৈঠকে বাণিজ্য, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও অবকাঠামোয় সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব, ৬.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা

টোকিও, জাপান | মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক | দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ

বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করার লক্ষ্যে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রযুক্তি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), দ্য ডেইলি স্টার, ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ (ইউএনবি) এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই দেশের বিদ্যমান কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও বিস্তৃত করা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতে সহযোগিতা বাড়ানো ছিল বৈঠকের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান সানায়ে তাকাইচি। এ সময় জাপানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর উভয় দেশের প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয়পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর দুই নেতা মূল বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে তাঁরা আলোচনার ফলাফল নিয়ে যৌথ ঘোষণা দেন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে কয়েকটি সমঝোতা স্মারক বিনিময় করেন। পরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে আনুষ্ঠানিক মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেন।

জ্বালানি ও অবকাঠামোয় সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ

বৈঠকে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পায়নের জন্য নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী জ্বালানি সরবরাহের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে জাপানের সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তারেক রহমান।

বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস, এলএনজি অবকাঠামো, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে জাপানের বিনিয়োগ ও অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতার পাশাপাশি চলমান উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

এ ছাড়া দেশের যোগাযোগব্যবস্থা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে রেলপথ, পরিবহন অবকাঠামো এবং বড় উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা চাওয়া হয়। দেশের ছয়টি বিভাগীয় শহরকে উচ্চগতির রেলপথে যুক্ত করা এবং দেশব্যাপী উড়াল সড়কের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও বৈঠকে তুলে ধরেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

৬.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা

বাংলাদেশে জাপানের বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়টি বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে উঠে এসেছে। জ্বালানি, অবকাঠামো ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন জাপানি ইয়েন, অর্থাৎ আনুমানিক ৬.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ আকর্ষণের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে জাপানের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করে সম্ভাব্য প্রকল্প ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রগুলো নিয়ে কাজ করতে পারে বলে ইউএনবির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এই অর্থের পুরোটাই ইতিমধ্যে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করা হয়েছে, এমন নয়। এটি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও বাস্তবায়নের পরিকল্পনা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। এর প্রকৃত অগ্রগতি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সিদ্ধান্ত, প্রকল্প চূড়ান্তকরণ এবং পরবর্তী বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার ওপর।

বাংলাদেশকে আঞ্চলিক উৎপাদন, প্রযুক্তি ও বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও তুলে ধরেন তারেক রহমান। একই সঙ্গে জাপানি ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশ–জাপান প্রযুক্তি পার্কের প্রস্তাব

প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশে একটি বাংলাদেশ–জাপান টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ উদ্যোগের মাধ্যমে জাপানি কোম্পানি, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বাংলাদেশের তরুণ প্রতিভা, উদ্যোক্তা এবং দক্ষ পেশাজীবীদের সংযোগ তৈরির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং, রোবোটিকস এবং ইলেকট্রনিকস উৎপাদনকে সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি মহাকাশবিজ্ঞান, স্যাটেলাইট প্রকৌশল ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিতে দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে প্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি, নতুন কর্মসংস্থান এবং উচ্চমূল্যের শিল্পে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়তে পারে। তবে প্রস্তাবিত প্রযুক্তি পার্কের বাস্তবায়ন, অর্থায়ন ও সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী আনুষ্ঠানিক ঘোষণা থেকে জানা যাবে।

বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ–জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি, ইপিএ বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে চুক্তি স্বাক্ষরের পর দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বাংলাদেশি পণ্যের জন্য জাপানের বাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়ানো, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগ জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে শুল্ক, কাস্টমস, করনীতি, ব্যবসায়িক বিধিবিধান এবং অর্থ স্থানান্তরের প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও পূর্বানুমানযোগ্য করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়।

জাপানের বিনিয়োগ বাংলাদেশের শিল্পায়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এসব সম্ভাবনার বাস্তব সুফল পেতে বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন এবং পরিকল্পিত প্রকল্প বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ হবে।

শেয়ারিং প্রসপারিটি বিআইজি-বি কাঠামোয় সহযোগিতার লক্ষ্য

দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হলো বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট বা বিআইজি-বি উদ্যোগ। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানিয়েছেন, দুই নেতা এ উদ্যোগকে শেয়ারিং প্রসপারিটি বিআইজি-বি নামে নতুন কৌশলগত সহযোগিতা কাঠামোয় এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

এ উদ্যোগের লক্ষ্য বাংলাদেশে শিল্পায়ন, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সংযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও কার্যকর করা।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। এ অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও উৎপাদন ব্যবস্থার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার সম্ভাবনাও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে।

রোহিঙ্গা সংকট ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা

দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে মিয়ানমারের পরিস্থিতি এবং রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তারেক রহমান।

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি। রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা বন্ধ, মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সংলাপের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক শান্তি, আন্তর্জাতিক আইন, বহুপক্ষীয় সহযোগিতা এবং একটি অবাধ, উন্মুক্ত ও শান্তিপূর্ণ ভারত–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল গড়ে তোলার বিষয়ে দুই দেশের অভিন্ন আগ্রহের কথা আলোচনায় উঠে আসে।

গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের প্রসঙ্গ

বৈঠকের পর জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি তাঁর আনুষ্ঠানিক এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া বক্তব্যে তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের মূল্যবোধে দুই দেশের অভিন্ন অবস্থানের কথা উল্লেখ করে তিনি বাংলাদেশের নতুন সরকারের রাষ্ট্র গঠন ও উন্নয়ন প্রচেষ্টায় জাপানের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে জাপানের দীর্ঘদিনের অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে তারেক রহমানও দুই দেশের সম্পর্ক আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

যৌথ কমিশন গঠনের প্রস্তাব

দুই দেশের মধ্যে আলোচনায় উঠে আসা উদ্যোগগুলো বাস্তবায়ন এবং অগ্রাধিকার নির্ধারণের জন্য মন্ত্রী পর্যায়ের একটি যৌথ কমিশন গঠনের প্রস্তাব দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এ কমিশনের মাধ্যমে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা, প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণের কথা বলা হয়।

এ ছাড়া জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান তারেক রহমান।

সামনে কী অপেক্ষা করছে

বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রযুক্তি এবং অবকাঠামো উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনায় এসেছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও রোহিঙ্গা সংকটের মতো আন্তর্জাতিক বিষয়েও দুই দেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে।

তবে বৈঠকে আলোচিত পরিকল্পনাগুলোর প্রকৃত সুফল নির্ভর করবে সমঝোতা স্মারক ও চুক্তির বাস্তবায়ন, বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ, প্রকল্পের অর্থায়ন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ধারাবাহিক কার্যক্রমের ওপর।

বাংলাদেশের জন্য এখন গুরুত্বপূর্ণ হবে আলোচনায় পাওয়া সম্ভাবনাগুলোকে বাস্তব প্রকল্পে রূপ দেওয়া, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করা এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির কার্যকর অংশীদারত্বে পরিণত করা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), দ্য ডেইলি স্টার, ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ (ইউএনবি), দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রীর প্রকাশিত বক্তব্যের ভিত্তিতে সংকলিত।


More News Of This Category
bdit.com.bd