“আমার না বলা কথা” অনুষ্ঠানে অভ্যর্থনা উপকমিটিতে এম তমাল আহমেদ: কেন্দ্রীয় স্বীকৃতিতে যশোর যুবদলের উচ্ছ্বাস
ডেইলি প্রথম বাংলাদেশ প্রতিবেদক
যশোর | ১৪ জুলাই ২০২৫
জাতীয়তাবাদী গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আগামী ০৪ আগস্ট ২০২৫, জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির উদ্যোগে ঢাকা মহানগরে আয়োজন করা হচ্ছে এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক অনুষ্ঠান — “ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন ও আমার না বলা কথা”।
এই কর্মসূচিকে সফল করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় যুবদলের পক্ষ থেকে গঠিত হয়েছে একটি অভ্যর্থনা উপ-কমিটি। কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন–এর নির্দেশনায় প্রকাশিত তালিকায় যশোর জেলা যুবদলের আহবায়ক এম তমাল আহমেদ–এর নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় জেলায় আনন্দ ও গর্বের আবহ ছড়িয়ে পড়েছে।
তমাল আহমেদের অন্তর্ভুক্তি: নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও ত্যাগের স্বীকৃতি
যশোর জেলা ও শার্শা উপজেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ একে কেন্দ্রীয় যুবদলের প্রতি তাদের অবিচল আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ে নিষ্ঠার সঙ্গে সংগঠনকে এগিয়ে নেওয়া তমাল আহমেদের এই কেন্দ্রীয় স্বীকৃতি নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা জাগিয়ে তুলেছে।
শার্শা উপজেলার বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ বলেছেন, “তমাল ভাইয়ের এই স্বীকৃতি শুধু তাঁর একার নয়—এটি আমাদের সংগঠনের সম্মিলিত পরিশ্রমের প্রতিদান।”
ফেসবুকেই আসে শুভেচ্ছা
এই তালিকা প্রকাশের পরপরই যশোর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমদাদুল হক ইমদা তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তমাল আহমেদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং এক আন্তরিক শুভেচ্ছাবার্তা জানান। ইমদা বলেন, “তমাল ভাইয়ের এই স্বীকৃতি আমাদের দলের প্রতি কেন্দ্রের আস্থার প্রতিচ্ছবি। এই নেতৃত্বই আগামীর বাংলাদেশ গড়বে।”

তাঁর এই পোস্টের নিচে কমেন্টে শতাধিক নেতাকর্মী শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং অনুষ্ঠানটি সফল করতে মাঠে সক্রিয় ভূমিকা রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।
যুবদল যখন জাতির প্রত্যাশার মঞ্চে
এই অনুষ্ঠানটি শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং এটি এক প্রতীকী উচ্চারণ—স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের একটি বাস্তব প্রতিফলন। “আমার না বলা কথা” শীর্ষক এই আয়োজনের মাধ্যমে শহীদ জিয়া, আরাফাত রহমান কোকো এবং বিএনপির সব শহীদ নেতাকর্মীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তারেক রহমানের গণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই হচ্ছে মূল উদ্দেশ্য।
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তা
এই উপলক্ষে যশোর জেলা ও শার্শা উপজেলা যুবদলের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ—সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন–কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
তরুণ নেতৃত্বের শক্তিকে সামনে রেখে, যুবদলের এই উদ্ভাবনী ও ঐতিহাসিক প্রয়াস সফল হোক—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন দেশপ্রেমিক নাগরিকরা।
– পাঠকের জন্য প্রশ্ন:
তমাল আহমেদের মতো মাঠের পরীক্ষিত নেতাদের কীভাবে আরও বেশি গুরুত্ব দিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তুলে আনা যায় বলে আপনি মনে করেন?