• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ২২০ ইয়াবা, ৯ বোতল ফেনসিডিল ও নগদ ৩২ হাজার টাকা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ এফবিআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আইজিপির সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে ডাকাতের কবলে বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর, সহকর্মীদের দোয়া ও সহযোগিতার আহ্বান মাছ ধরতে গিয়ে জেলের জালে মিলল থানা থেকে লুট হওয়া শর্টগান বেনাপোল কাস্টম চেকপোস্টে ‘স্পট ট্যাক্স’ বন্ধ, লাগেজ হয়রানি ও উন্নয়ন প্রশ্নে বাড়ছে জনঅসন্তোষ: রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান: বড়আঁচড়া সড়কের অস্থায়ী সংস্কারে উদ্যোগ, এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি বেনাপোলের গর্ব মারিয়া আফরিন তিষু: ছাত্ররাজনীতিতে নেতৃত্ব, গণমাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনায় নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা পলাশবাড়ীতে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর পেট মুচড়ে ও বেঞ্চে শুইয়ে নির্যাতনের অভিযোগ শিক্ষক মিথুনের বিরুদ্ধে মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি

বগুড়ায় পলিথিন সিন্ডিকেটের নেপথ্যে বিএনপি নেতা নাহিদ: মাসে ১২ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

নাজমুল হাসান চিফ ইন এডিটর / ২০৭ Time View
Update : রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

 

বগুড়ায় পলিথিন সিন্ডিকেটের নেপথ্যে বিএনপি নেতা নাহিদ: মাসে ১২ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ও বগুড়া

সারা দেশে পলিথিন উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকলেও রাজধানীর পুরান ঢাকা থেকে বগুড়া পর্যন্ত বিস্তৃত এক শক্তিশালী সিন্ডিকেটের সন্ধান পাওয়া গেছে। অভিযোগ উঠেছে, ঢাকা থেকে পাচার হওয়া অবৈধ পলিথিনের এই বাজার এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করছেন বগুড়া শহর বিএনপির প্রকাশনা সম্পাদক ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আফজাল হোসেন নাহিদ। অবৈধ ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে তিনি প্রতি মাসে ১২ লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করছেন বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন।

নেপথ্যে আওয়ামী লীগ-বিএনপি আঁতাত

অনুসন্ধানে জানা যায়, নিষিদ্ধ পলিথিন পাচারের এই চেইনটি শুরু হয় রাজধানী থেকে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ চকবাজার ৩০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা আমিনুল হক মুরাদের মালিকানাধীন ‘রহমানিয়া ট্রান্সপোর্ট’ (সাবেক মধু ট্রান্সপোর্ট) এর মাধ্যমে ঢাকা থেকে বগুড়ায় পলিথিন পাঠানো হয়। মুরাদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে একাধিক হত্যা মামলার আসামি এবং ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ হিসেবে পরিচিত হলেও তার ব্যবসায়িক সিন্ডিকেট এখনো সক্রিয়।

যেভাবে চলে চাঁদাবাজি

বগুড়ার একাধিক অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ঢাকা থেকে পলিথিন ভর্তি কাভার্ডভ্যান বগুড়ায় প্রবেশ করলেই নাহিদের সহযোগী রাম বাবু ও সাত্তার গাড়িগুলো আটকে দেয়। এরপর চলে ব্ল্যাকমেইল ও দরকষাকষি।

হিসাব: প্রতিটি কাভার্ডভ্যানে সাধারণত ১২০ বস্তা পলিথিন থাকে। প্রতি বস্তার জন্য নাহিদকে দিতে হয় ৫০০ টাকা।

আয়: এক গাড়ি থেকে নাহিদ পান ৬০ হাজার টাকা। দিনে দুটি গাড়ি প্রবেশ করলে আয় হয় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা।

মাসিক আয়: এই হিসেবে মাসে নাহিদের পকেটে যায় প্রায় ১২ লক্ষ টাকার বেশি।

অভিযোগ রয়েছে, ফ্যাসিস্ট মুরাদের ম্যানেজার মোশারফ ও জুবায়েরের মাধ্যমে এই টাকা কালেকশন করেন নাহিদের প্রধান দুই সহযোগী রামবাবু ও সাত্তার।

প্রশাসনের বক্তব্য ও দলের অবস্থান

বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ রেজাউল করিম বাদশা এই বিষয়ে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, “বিএনপিতে কোনো চাঁদাবাজের ঠাঁই নেই। কেউ যদি দলের নাম ভাঙিয়ে কাউকে হয়রানি বা চাঁদাবাজি করে, তবে তাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করুন।”


More News Of This Category
bdit.com.bd