মোঃ ইমরান মুন্সি
জেলা প্রতিনিধি, ঝালকাঠি
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় বাড়ি নির্মাণের জন্য ব্যাংক ঋণ নিতে গিয়ে অর্থ প্রদানের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুবালী ব্যাংকের কাঠালিয়া উপ-শাখার ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ১৫ লাখ টাকা ঋণ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এক গ্রাহকের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারী কালাম হাওলাদারের দাবি, ঋণের আবেদন করার পর দীর্ঘ প্রায় দুই বছর ধরে তাকে নানা ধরনের আশ্বাস দেওয়া হয়। ঋণ অনুমোদনের কথা বলে বিভিন্ন সময়ে অর্থ নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে জানানো হয়, তার ঋণ অনুমোদন হয়নি। এতে একদিকে তিনি ঋণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, অন্যদিকে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে দেওয়া অর্থ নিয়েও অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
তবে পুবালী ব্যাংকের কাঠালিয়া উপ-শাখার ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, তিনি কোনো টাকা নেননি। ঋণের জন্য প্ল্যান ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজের যে খরচ হয়েছে, সেগুলো গ্রাহক নিজেই করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রাহকের ছেলের বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর লেনদেন অনিয়মিত হওয়ায় ঋণটি অনুমোদন পায়নি।
এদিকে পুবালী ব্যাংকের বরিশাল অঞ্চলের ডিজিএম মুহাম্মদ মোশাহিদ উল্লাহ জানিয়েছেন, ঋণের বিষয়ে ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার সুযোগ নেই। কেউ এ ধরনের অর্থ নিয়ে থাকলে এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যাংকের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঋণের আবেদন ১৫ লাখ টাকার
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার আমরিবুনিয়া গ্রামের লতিফ হাওলাদারের ছেলে কালাম হাওলাদার নিজ বাড়ি নির্মাণের উদ্দেশ্যে পুবালী ব্যাংকের কাঠালিয়া উপ-শাখায় ১৫ লাখ টাকা ঋণের জন্য আবেদন করেন।
ঋণের আবেদন করার পর ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। অভিযোগকারীর দাবি, এ সময় উপ-শাখার ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমানের মাধ্যমে বা তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে তাকে ঋণ অনুমোদন করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
কালাম হাওলাদারের অভিযোগ, ঋণ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি কোন তারিখে কত টাকা, কার হাতে এবং কীভাবে দিয়েছেন—এসব লেনদেনের পূর্ণাঙ্গ নথি বা প্রমাণ প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
প্রায় দুই বছর ধরে অপেক্ষার অভিযোগ
ভুক্তভোগীর দাবি, ঋণের জন্য আবেদন করার পর অল্প সময়ের মধ্যে ঋণ পাওয়ার আশা করেছিলেন তিনি। কিন্তু সময় গড়াতে থাকলেও ঋণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় বিষয়টি দীর্ঘায়িত হতে থাকে।
কালাম হাওলাদারের ভাষ্য, প্রায় দুই বছর ধরে তাকে বিভিন্ন সময় ঋণ হয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কখনো ব্যাংকের প্রক্রিয়ার কথা, কখনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অন্যান্য প্রস্তুতির কথা বলে সময় পার করা হয়েছে বলে তার অভিযোগ।
দীর্ঘ সময় ধরে ঋণের আশায় অপেক্ষা করার পাশাপাশি তিনি অভিযোগ অনুযায়ী বিভিন্ন খাতে অর্থ ব্যয় করেছেন। শেষ পর্যন্ত ঋণ অনুমোদন না হওয়ায় তার মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।
উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য মাছ কেনার কথাও বলা হয়—অভিযোগ
অভিযোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ব্যাংকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য বেলে ও চিংড়ি মাছ কিনে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন কালাম হাওলাদার।
তার অভিযোগ, ঋণের বিষয়টি দ্রুত এগিয়ে নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সন্তুষ্ট করার কথা বলে এসব মাছ কেনার বিষয় সামনে আনা হয়।
তবে এ অভিযোগেরও স্বাধীন কোনো প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি অভিযোগকারীর বক্তব্য হিসেবেই বিবেচ্য এবং তদন্তের মাধ্যমে এর সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন।
অক্টোবরের শুরুতে ঋণ পাওয়ার কথা, পরে জানানো হয় অনুমোদন হয়নি
অভিযোগকারী কালাম হাওলাদারের দাবি, তাকে বলা হয়েছিল চলতি বছরের অক্টোবরের শুরুতে ঋণ পাওয়া যেতে পারে। সেই আশ্বাসে তিনি ঋণ পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন।
কিন্তু সেপ্টেম্বরের শেষদিকে তাকে জানানো হয়, তার ঋণ অনুমোদন হয়নি।
এতে দীর্ঘদিনের অপেক্ষা এবং অভিযোগ অনুযায়ী ব্যয়ের পরও ঋণ না পাওয়ায় তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে নেওয়া অর্থের বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দাবি জানান তিনি।
কর্মকর্তার বক্তব্য—‘আমি কোনো টাকা নিইনি’
অভিযোগের বিষয়ে পুবালী ব্যাংক কাঠালিয়া উপ-শাখার ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অর্থ নেওয়ার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেন।
তিনি বলেন, “আমি কোনো টাকা নিইনি। প্ল্যান ও অন্যান্য কাজের খরচ তিনি নিজেই দিয়েছেন।”
ঋণ অনুমোদন না হওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, “মূলত ছেলের বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর লেনদেনে অনিয়মিত হওয়ার কারণে লোনটি পাস হয়নি।”
অর্থাৎ, ব্যবস্থাপকের বক্তব্য অনুযায়ী, ঋণটি অনুমোদন না পাওয়ার পেছনে ব্যাংক কর্মকর্তার মাধ্যমে কোনো অর্থ নেওয়ার বিষয় নয়, বরং আবেদনকারীর আর্থিক লেনদেনের ধারাবাহিকতার বিষয়টি ভূমিকা রেখেছে।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষের অবস্থান কী?
অভিযোগের বিষয়ে পুবালী ব্যাংকের বরিশাল অঞ্চলের ডিজিএম মুহাম্মদ মোশাহিদ উল্লাহ বলেন, ঋণের বিষয়ে ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, “কেউ নিয়ে থাকলে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ব্যাংকের এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে অভিযোগটি সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের জন্য তদন্ত প্রয়োজন।
ঋণ প্রক্রিয়ায় অর্থ লেনদেনের অভিযোগ কতটা গুরুতর
ব্যাংকিং খাতে ঋণ অনুমোদন একটি নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ার কথা। একজন গ্রাহক ঋণের আবেদন করলে তার আর্থিক সক্ষমতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আয়-ব্যয়ের তথ্য, ব্যাংকিং লেনদেনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে ঋণ অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ ধরনের প্রক্রিয়ার বাইরে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে কোনো কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠলে তা শুধু একজন গ্রাহকের আর্থিক ক্ষতির বিষয় নয়; বরং ব্যাংকিং সেবার স্বচ্ছতা ও গ্রাহকের আস্থার সঙ্গেও বিষয়টি জড়িত।
তবে কোনো অভিযোগ ওঠা মাত্রই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা ব্যক্তিকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা সমীচীন নয়। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে অর্থ লেনদেনের প্রমাণ, ব্যাংকিং নথি, আবেদনপত্র, ঋণ প্রক্রিয়ার নথিপত্র এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসার দাবি
ভুক্তভোগী কালাম হাওলাদার তার কাছ থেকে অভিযোগ অনুযায়ী নেওয়া অর্থের বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ঋণ প্রক্রিয়ায় কেন এত দীর্ঘ সময় লেগেছে এবং শেষ পর্যন্ত কোন কারণে ঋণ অনুমোদন হয়নি—তারও পরিষ্কার ব্যাখ্যা চান।
অন্যদিকে ব্যাংক কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান অর্থ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ফলে বর্তমানে বিষয়টি মূলত অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের পর্যায়ে রয়েছে।
এ অবস্থায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যদি অভিযোগটি আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত করে, তাহলে ঋণের আবেদন কখন করা হয়েছিল, কোন পর্যায়ে কতদিন ফাইলটি ছিল, কী কারণে ঋণ অনুমোদন হয়নি, গ্রাহকের কাছ থেকে কোনো অর্থ নেওয়া হয়েছিল কি না এবং কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এতে জড়িত ছিলেন কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যেতে পারে।
যেসব বিষয় তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হলে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর মধ্যে রয়েছে—কালাম হাওলাদারের ১৫ লাখ টাকার ঋণ আবেদন, আবেদন গ্রহণের তারিখ, ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রক্রিয়ার নথি, ঋণ অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যানের কারণ, গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব ও লেনদেনের তথ্য, অভিযোগ অনুযায়ী অর্থ প্রদানের কোনো রসিদ বা লেনদেনের রেকর্ড, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মোবাইল যোগাযোগ এবং ব্যাংক কর্মকর্তাদের ভূমিকা।
এ ছাড়া অভিযোগে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য বেলে ও চিংড়ি মাছ কেনার কথা বলা হয়েছে। এ দাবির সত্যতা যাচাই করতে হলে কখন, কার নির্দেশে এবং কার জন্য এসব কেনার কথা বলা হয়েছিল—সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন।
গ্রাহকের অভিযোগের পাশাপাশি ব্যাংক কর্মকর্তার বক্তব্যও বিবেচনায় প্রয়োজন
একটি অভিযোগের নিরপেক্ষ অনুসন্ধানে অভিযোগকারীর বক্তব্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্যও সমানভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। এ ঘটনায় কালাম হাওলাদার অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করেছেন, আর ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান তা অস্বীকার করেছেন।
ব্যাংকের বরিশাল অঞ্চলের ডিজিএমও জানিয়েছেন, ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর গ্রাহকের কাছ থেকে ঋণের বিষয়ে টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তাই অভিযোগটির প্রকৃত সত্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ওপর নির্ভর করছে।
ভুক্তভোগীর প্রতিকার প্রত্যাশা
কালাম হাওলাদারের দাবি, তিনি বাড়ি নির্মাণের প্রয়োজনেই ব্যাংক ঋণের জন্য আবেদন করেছিলেন। ঋণ পাওয়ার আশায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পরও শেষ পর্যন্ত ঋণ না পাওয়ায় তিনি আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
তার দাবি, অভিযোগটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। যদি সত্যিই কোনো কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ঋণ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে তার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে থাকেন, তাহলে সেই অর্থ ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
এখন দেখার বিষয়
ঘটনাটি নিয়ে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—অভিযোগ অনুযায়ী প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা আসলেই কার কাছে এবং কীভাবে দেওয়া হয়েছিল, ঋণের আবেদন কেন প্রায় দুই বছর ধরে ঝুলে ছিল এবং শেষ পর্যন্ত কোন কারণে ঋণ অনুমোদন হয়নি।
এসব প্রশ্নের উত্তর কেবল আনুষ্ঠানিক তদন্ত, ব্যাংকের নথিপত্র এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য যাচাইয়ের মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।
অভিযোগটি সত্য হলে ব্যাংকিং সেবার স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হবে। আর অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগেরও যথাযথ নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন। তাই উভয় পক্ষের বক্তব্য ও নথি যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ-এর অবস্থান:
এ প্রতিবেদনে উত্থাপিত অর্থ গ্রহণ, ঋণ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস এবং অন্যান্য অনিয়মের বিষয়গুলো অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে। এগুলোকে চূড়ান্ত সত্য বা প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি। অভিযুক্ত ব্যাংক কর্মকর্তা অর্থ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং ঋণ অনুমোদন না হওয়ার ভিন্ন কারণ উল্লেখ করেছেন। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত ও নথিপত্র যাচাই প্রয়োজন।