সেনাপ্রধান ওয়াকারকে অযোগ্য ও বিশ্বাসঘাতক আখ্যায়িত করলেন জ্যাকব মিল্টন
ডেইলি প্রথম বাংলাদেশ ডেস্ক রিপোর্ট :
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন প্রবাসী, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ও অধিকারকর্মী জ্যাকব মিল্টন তার ফেসবুক পোস্টে সেনাপ্রধান ওয়াকারকে নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন—শারীরিক, মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে ওয়াকার সশস্ত্র বাহিনীর যে কোনো পদেই অযোগ্য এবং তার কর্মকাণ্ড জাতির জন্য কলঙ্কজনক।
জ্যাকব মিল্টন লিখেছেন, বিশ্বের প্রতিটি গর্বিত জাতির সেনাপ্রধান হয়ে থাকেন একজন মেধাবী, নীতিবান, যোগ্য, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ও দেশপ্রেমিক নেতা। কিন্তু বাংলাদেশে সেনাপ্রধান ওয়াকারকে সেই মানদণ্ডে মেলানো যায় না। তার ভাষায়—
“প্রথমত শারীরিক দিক থেকে আনফিট, দ্বিতীয়ত সি-মাইনাস মেধাসম্পন্ন, তৃতীয়ত স্থুল বুদ্ধিসম্পন্ন এবং সর্বোপরি মেডিক্যালি আনফিট ওয়াকার সশস্ত্র বাহিনীর যে কোনো পদের জন্যই অযোগ্য।”
তিনি অভিযোগ করেন, ৫ আগস্ট সেনাপ্রধান ওয়াকারকে জনগণের পক্ষ নেওয়া বলে প্রচার চালানো হলেও তা সর্বৈব মিথ্যাচার ছিল। বাস্তবে ওয়াকার ভারতীয় স্বার্থে কাজ করেছেন এবং বাংলাদেশের স্বৈরশাসক হাসিনার অপরাধসমূহকে আড়াল করার জন্য নানা তৎপরতা চালিয়ে গেছেন।
জ্যাকব মিল্টনের ভাষ্যমতে—
ওয়াকার সেনানিবাসে ভারতীয় কূটনীতিকদের প্রবেশের সুযোগ দিয়েছেন।
৬২৬ জন চিহ্নিত অপরাধীকে সেনানিবাসে আশ্রয় দিয়ে বিদেশে পালানোর পথ তৈরি করেছেন।
সশস্ত্র বাহিনীর শৃঙ্খলা ভেঙে পরপর ভাষণ দিয়েছেন, অথচ একবারও প্রতিশ্রুতি দেননি যে তিনি হাসিনার অপকর্মের বিচার নিশ্চিত করবেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাজে বাধা সৃষ্টি না করার অঙ্গীকারও তিনি করেননি।
তিনি আরও বলেন, ওয়াকার কেবল সেনাপ্রধান হিসেবেই নয়, একজন সচেতন নাগরিক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। কারণ তিনি নিজেই হাসিনার প্রতিটি অপরাধের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত।
জ্যাকব মিল্টন তার পোস্টে কঠোর মন্তব্য করে লিখেছেন—
“ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে যে একজন বিশ্বাসঘাতক কখনও বদলায় না। অথচ সতের কোটি মানুষের কেউ কেউ একজন বিশ্বাসঘাতককে মহিমান্বিত করছে, বাকিরা চুপচাপ তার ভাষণ শুনে যাচ্ছে। ওয়াকারের সব কার্যক্রম শুধুমাত্র তার নিজের, হাসিনা ও ভারতের স্বার্থে।”
অবশেষে তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে লেখেন—“জাতিগতভাবে এটা বোঝার সামর্থ্য মহান আল্লাহ আমাদেরকে দান করুন।”
একটা প্রশ্ন থেকে যায় জনমনে কে এই মিল্টন??????