নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর | ১৬ জুলাই ২০২৫
যশোর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে পালিত হলো “জুলাই শহিদ দিবস ২০২৫”, যেখানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও তারুণ্যের আইকন জননেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। শহরের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভা পরিণত হয় একটি স্মরণ-সংগ্রামের মহামঞ্চে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত শহিদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন—
“জুলাইয়ের রক্তে লেখা শহিদদের গল্প হচ্ছে জাতির ভবিষ্যতের রূপরেখা। এ সংগ্রাম শুধুই ইতিহাস নয়, এটি বর্তমান ও ভবিষ্যতের রাজনৈতিক চেতনার উৎস।”
তিনি আরও বলেন,
২০২৪ সালে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের পতনের জন্য যে আন্দোলন হয়েছিল, তার অন্যতম বলিষ্ঠ ঘাঁটি ছিল যশোর জেলা। তিনি নিজেও সে সময় রাজপথে ছিলেন—দমন-পীড়ন সহ্য করেছেন, মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থেকেছেন।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত স্পষ্ট করে বলেন, “আমি শুধু একটি দলের কর্মী নই—আমি শহীদদের উত্তরাধিকার বহন করি।”
তিনি জানান, শহিদ পরিবারগুলোর খোঁজখবর রাখা, তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং ন্যায়বিচার আদায়ে কাজ করে যাওয়া—এগুলো দলনেতা তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশনা। তিনি যশোর জেলা থেকে সেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন বলেও অবগত করেন।
এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যশোর জেলা যুবদল-এর সভাপতি আনসারুল হক রানা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক একাউন্ট ‘চিন্তা’ থেকে নিশ্চিত করেন।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী এবং গণতন্ত্রকামী নাগরিকবৃন্দ।
শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা, বিশেষ দোয়া এবং প্রত্যয় ঘোষণার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে: দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ