• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট নারীর মেসেঞ্জারে পুরুষাঙ্গের ছবি পাঠানোর অভিযোগ মোঃ দিদারের বিরুদ্ধে, সাইবার আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা, মালিকানা ও ট্রাস্ট নিয়ে পুরোনো বিরোধ: ২০১৪ সালের জেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে একাধিক গুরুতর অসংগতি ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদী শাসনের পথ বন্ধে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মাদক-সন্ত্রাস, দখলবাজি ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়তে ফখরুল ইসলাম এমপির আহ্বান হাতিয়ায় জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন: যুব র‍্যালি, ঋণের চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ৮ মামলার বাধা পেরিয়ে এবার ইলিয়টগঞ্জ উত্তর ইউপির চেয়ারম্যান হওয়ার প্রত্যাশায় দুলাল সরকার বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ, থোয়াইচিং মং শাককে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের কারণ দর্শানোর নোটিশ মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: এমপি নূরুল ইসলাম নয়ন সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুকে কনডেম সেলে রাখার অভিযোগ: ২৪ ঘণ্টার আইনি আলটিমেটাম, অন্যথায় হাইকোর্টে রিট পুরোনো ভিডিও নতুন করে ছড়িয়ে বিজিবির বিরুদ্ধে অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারে সতর্ক করল সীমান্তরক্ষী বাহিনী

রাজশাহীতে সরকারি রাস্তা দখল নিয়ে সংঘর্ষ, সংবাদকর্মীসহ আহত ৩: স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেওয়া ও কুপিয়ে জখমের অভিযোগ, থানায় মামলা

বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ডেস্ক রিপোর্ট / ১০৯ Time View
Update : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬

ছোটবনগ্রাম পূর্বপাড়ায় রাস্তার সীমানা ও প্রাচীর নিয়ে বিরোধের জেরে উত্তেজনা; পাল্টা অভিযোগ অভিযুক্ত পক্ষের, তদন্ত করছে পুলিশ

বিশেষ প্রতিবেদন :

রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানাধীন ছোটবনগ্রাম পূর্বপাড়া এলাকায় সরকারি রাস্তা দখল ও প্রাচীর অপসারণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত ২৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সংঘটিত এ ঘটনায় এক গৃহবধূ, এক সংবাদকর্মী ও এক বয়স্ক ব্যক্তিসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় এক নারীর কানের স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেওয়া এবং এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগও উঠেছে।

এ ঘটনায় মোঃ সুমন (৩৭) বাদী হয়ে চন্দ্রিমা থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন বলে এজাহার সূত্রে জানা গেছে। অন্যদিকে, অভিযুক্ত পক্ষের একজন সদস্য অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, তাঁদের পরিবারের জমিতে থাকা সীমানাপ্রাচীর তাঁদের না জানিয়ে ভেঙে ফেলা হয় এবং পরে উল্টো তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় লিখিত এজাহার পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাস্তার দখল ও প্রাচীর অপসারণ নিয়ে বিরোধ

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন মোঃ মুনসুর (৪৬), গাফ্ফার (৫৬), শান্তা (২৮), আজিজুল (৪৬), শাকিলা (৩৫) ও মোঃ মাজদার (৫২)। তাঁদের বিরুদ্ধে বসতবাড়ির পাশে সরকারি রাস্তার ওপর প্রাচীর নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখলে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে।

বাদীর অভিযোগ অনুযায়ী, ওই প্রাচীরের কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল। পরবর্তীতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় কথিত প্রাচীরটি অপসারণ করা হয়। তবে রাস্তার জমির প্রকৃত সীমানা, প্রাচীরটি সরকারি জমির ওপর নির্মিত হয়েছিল কি না এবং অপসারণের সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছিল কি না—এসব বিষয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় পর্যায়ে রাস্তা বা চলাচলের পথের সীমানা নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে তা যথাযথ ভূমি রেকর্ড, নকশা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্যের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা জরুরি। কারণ, জমির মালিকানা ও সরকারি রাস্তার সীমানা নিয়ে বিরোধের নিষ্পত্তি আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় হওয়াই বাঞ্ছনীয়।

বাকবিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষের অভিযোগ

এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, গত ২৩ অক্টোবর সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে রাস্তার দখল ও প্রাচীর অপসারণের বিষয় নিয়ে বাদী মোঃ সুমনের সঙ্গে অভিযুক্ত পক্ষের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

বাদীর দাবি, অভিযুক্তরা তাঁকে গালাগাল করেন। তিনি এর প্রতিবাদ জানালে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ সময় প্রথম অভিযুক্তের নির্দেশে তৃতীয় অভিযুক্ত শান্তা সুমনের স্ত্রী সোনিয়া খাতুন টুম্পাকে (২৮) ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

পরবর্তীতে শান্তা ও শাকিলা মিলে টুম্পাকে মারধর করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তাঁর কানে থাকা আনুমানিক তিন আনি ওজনের একটি স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে বাদী দাবি করেছেন। এজাহারে দুলটির আনুমানিক মূল্য ১৬ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে কোনো উদ্ধারতালিকা, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য কিংবা স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগটির সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, টুম্পাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে সুজন (৩০) নামের এক যুবকের ওপর হামলা চালানো হয়। বাদীর বর্ণনা অনুযায়ী, প্রথম অভিযুক্ত মোঃ মুনসুর সুজনকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো চাইনিজ কুড়াল দিয়ে মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করেন।

 

সুজন সরে যাওয়ার চেষ্টা করলে ধারালো অস্ত্রের আঘাত তাঁর কপালে লাগে এবং তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

এ ছাড়া ষষ্ঠ অভিযুক্ত মোঃ মাজদার বাঁশের লাঠি দিয়ে সুজনকে আঘাত করেন এবং অন্য অভিযুক্তরা প্রতিবেশী আব্দুল কুদ্দুস (৬৬)-কে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে স্থানীয় লোকজন আহত সুজন ও আব্দুল কুদ্দুসকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ রয়েছে। আহতদের চিকিৎসাসংক্রান্ত নথি, আঘাতের ধরন ও বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনায় কার কী ধরনের ভূমিকা ছিল, কে কোন অস্ত্র ব্যবহার করেছেন এবং আঘাতগুলো কীভাবে লেগেছে—এসব বিষয় প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, চিকিৎসা নথি ও অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করে নির্ধারণ করা জরুরি।

সংবাদকর্মী সুমনের বক্তব্য

ঘটনার বাদী মোঃ সুমন নিজেকে একজন সংবাদকর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তিনি সরকারি রাস্তা দখলের বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানানো হলে অভিযুক্ত পক্ষ তাঁর পরিবার ও প্রতিবেশীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

সুমনের দাবি, হামলার সময় তাঁর স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্য এবং প্রতিবেশীরা আক্রান্ত হন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রত্যাশা করেন।

তবে সুমনের বক্তব্যের পাশাপাশি ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্য প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রমাণ যাচাই করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

অভিযুক্ত পক্ষের পাল্টা বক্তব্য

অভিযোগের বিষয়ে চতুর্থ অভিযুক্ত আজিজুল ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁদের ভাইয়ের জমিতে একটি বাউন্ডারি ওয়াল ছিল। সুমনের পক্ষের লোকজন তাঁদের কিছু না জানিয়েই সেটি ভেঙে ফেলেন বলে তাঁর দাবি।

আজিজুল আরও বলেন, ঘটনার সময় তিনি বাইরে ছিলেন। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে উল্টো তাঁকেই মারধর করে ফেলে দেওয়া হয়।

অর্থাৎ, একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বক্তব্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। বাদী পক্ষ রাস্তা দখল, মারধর ও স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে। অন্যদিকে, অভিযুক্ত পক্ষের একজন সদস্য প্রাচীর ভাঙার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিজেদের ওপর হামলার অভিযোগ করেছেন।

তবে আজিজুলের বক্তব্যের সমর্থনে কোনো পৃথক মামলা, চিকিৎসা নথি বা অন্য প্রমাণ এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে তাঁর বক্তব্যের বিপরীত দিকটিও তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। অন্য অভিযুক্তদের বক্তব্যও পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা উচিত।

পুলিশের বক্তব্য: তদন্তাধীন মামলা

চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ঘটনার বিষয়ে লিখিত এজাহার পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পুলিশের এই বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলমান। তবে মামলার নম্বর, প্রযোজ্য আইনের ধারা, তদন্তের অগ্রগতি এবং এ পর্যন্ত কী ধরনের প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সরকারি রাস্তা দখল ও আইনগত দায়

সরকারি রাস্তা বা জনসাধারণের চলাচলের পথ বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছে কি না, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট জমির রেকর্ড, সরকারি নকশা, সীমানা ও কর্তৃপক্ষের তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। কোনো স্থাপনা সরকারি জমির ওপর নির্মিত হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রচলিত আইন ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারে।

একইভাবে, জমি বা প্রাচীর নিয়ে বিরোধের জেরে মারধর, ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত কিংবা সম্পদ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ থাকলে সেগুলো পৃথকভাবে তদন্তের আওতায় আসতে পারে। অভিযোগের ধরন ও প্রমাণের ভিত্তিতে প্রযোজ্য আইনের ধারা নির্ধারণ করা আদালত ও তদন্তকারী সংস্থার আইনানুগ প্রক্রিয়ার বিষয়।

এ ক্ষেত্রে রাস্তার সীমানা নিয়ে বিরোধের নিষ্পত্তি এবং সংঘর্ষে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির ভূমিকা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। কোনো পক্ষের অভিযোগকে তদন্তের আগেই চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়।

তদন্তে যেসব বিষয় স্পষ্ট হওয়া জরুরি

ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, বিরোধপূর্ণ প্রাচীরটি সরকারি রাস্তার ওপর ছিল, নাকি ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে নির্মিত হয়েছিল—তা ভূমি রেকর্ড ও নকশা যাচাই করে নির্ধারণ করা দরকার।

দ্বিতীয়ত, প্রাচীর অপসারণের সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতা কীভাবে হয়েছিল এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি বা উপস্থিতি ছিল কি না, তা জানা প্রয়োজন।

তৃতীয়ত, সংঘর্ষের সময় কে কাকে আঘাত করেছেন, ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগের সত্যতা কী এবং আহতদের চিকিৎসা নথিতে কী উল্লেখ রয়েছে—এসব বিষয় প্রমাণের ভিত্তিতে যাচাই করা জরুরি। একই সঙ্গে স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ এবং অভিযুক্ত আজিজুলের পাল্টা বক্তব্যও তদন্তের আওতায় আসা উচিত।

ঘটনাস্থলে সিসিটিভি ক্যামেরা বা ভিডিও ফুটেজ থাকলে তা সংগ্রহ ও যাচাই করাও তদন্তে সহায়ক হতে পারে। তবে এমন কোনো ফুটেজ রয়েছে কি না, তা এখনো জানা যায়নি।

নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা

ছোটবনগ্রাম পূর্বপাড়ার ঘটনাটি সরকারি রাস্তার সীমানা নিয়ে বিরোধ কীভাবে সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে, সে বিষয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অন্যদিকে, অভিযুক্ত পক্ষের পাল্টা বক্তব্যও যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন, যাতে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হন।

রাস্তা দখলের অভিযোগ, প্রাচীর অপসারণের প্রেক্ষাপট, নারী ও অন্যদের ওপর হামলার অভিযোগ এবং পাল্টা মারধরের দাবি—সবকিছুর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমেই ঘটনার প্রকৃত চিত্র সামনে আসতে পারে।

চন্দ্রিমা থানা পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ-এর পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হচ্ছে, এ প্রতিবেদনে উল্লিখিত হামলা, স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেওয়া এবং রাস্তা দখলের বিষয়গুলো মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। এসব অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া সাপেক্ষ। তদন্তের অগ্রগতি, সংশ্লিষ্ট নথি এবং অন্য পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

 


More News Of This Category
bdit.com.bd