• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের বড় ধাক্কা, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যশোরের বেনাপোলে মোটরসাইকেল মিছিল করেছেন স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ ও ৮৯১-এর নেতাকর্মীরা। ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনায় বেনাপোলকে আধুনিক সীমান্ত নগরী গড়ার প্রত্যয়, জনআস্থার রাজনীতিতে আবু তাহের ভারত এমপি মাজেদ বাবুর বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র ও হলফনামায় জালিয়াতির অভিযোগ হাসিনার সেই ‘৪০০ কোটির পিয়ন’ জাহাঙ্গীর: অনুসন্ধান থেকে ১০০ কোটি টাকা পাচারের মামলা, দুই বছরে কতদূর তদন্ত? পরিচয় নিয়ে নতুন বিতর্ক, কোন পক্ষ কতটা যৌক্তিক? ১৭ বছর আওয়ামী লীগের এমপির ‘ছায়াতল’ ও লটারির নাটক: পঞ্চগড়ে চালের ডিলারশিপ বাগিয়ে নেওয়া হাইব্রিড বিএনপি নেতা একরামুল হক মুন্না যশোরে আওয়ামী লীগের নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগের প্রতিবাদে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হঠাৎ ‘স্যরি’ বলল প্রথম আলো, কেন এই ক্ষমা চাওয়া? সামনে এলো আসল কারণ কবিতা, কলম ও রাষ্ট্রচিন্তায় বহুমাত্রিক পথচলা: কবি অথই নূরুল আমিনের জীবন, সাহিত্যকর্ম ও মানবিক উদ্যোগের বিস্তৃত অধ্যায়

রাজশাহীতে পৃথক ঘটনায় দুই খুন: অর্ধগলিত বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার, জমি নিয়ে সংঘর্ষে প্রাণ গেল বাঁশ ব্যবসায়ীর

বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ডেস্ক রিপোর্ট / ১১৩ Time View
Update : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

 

নগরীর কেদুর মোড়ে নিজ বাড়ি থেকে বেলী খাতুনের মরদেহ উদ্ধার; পবার খড়খড়ি কমলাপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে নিহত জিয়ারুল ইসলাম—দুই ঘটনায় তদন্ত করছে পুলিশ

মোঃ সোহেল রানা, রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহীতে পৃথক দুটি ঘটনায় এক বৃদ্ধা নারী ও এক বাঁশ ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। নগরীর কেদুর মোড় এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে বেলী খাতুন (৭০) নামে এক বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, পবা উপজেলার খড়খড়ি কমলাপুর এলাকায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জিয়ারুল ইসলাম (৪৫) নামে এক বাঁশ ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে ঘটনা দুটি ঘটে।

একই রাতে ঘটে যাওয়া এ দুটি মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বৃদ্ধার মৃত্যুর ঘটনায় শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষে ব্যবসায়ী জিয়ারুল ইসলামের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, উভয় ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

কেদুর মোড়ে নিজ বাড়ি থেকে বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

রাজশাহী নগরীর কেদুর মোড় এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে বেলী খাতুন (৭০) নামে এক বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ওই বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। তাঁর স্বামী কয়েক বছর আগে মারা গেছেন এবং তাঁর চার ছেলেমেয়ে দেশের বাইরে থাকেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাড়ির ভাড়াটিয়া দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করেও বেলী খাতুনের কোনো সাড়া পাননি। এতে সন্দেহ হলে তিনি পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে।

বাড়ির ভেতরে বৃদ্ধার মরদেহ পড়ে থাকার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তাঁর মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত ও ময়নাতদন্তের ফল গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাছুমা মুস্তারী জানান, নিহত বৃদ্ধার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যুর দুই থেকে তিন দিন আগে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গৃহকর্মীসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধে জড়িত থাকার বিষয়টি এখনো তদন্তসাপেক্ষ। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য, ঘটনাস্থলের আলামত এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বৃদ্ধা বেলী খাতুনের মৃত্যুর পেছনে কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, থাকলে কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে এবং ঘটনার আগে তাঁর সঙ্গে কারও বিরোধ বা যোগাযোগ ছিল কি না—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

একা বসবাসকারী বৃদ্ধার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

বেলী খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় একা বসবাসকারী প্রবীণ নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়টিও সামনে এসেছে। পরিবারের সদস্যরা দেশের বাইরে থাকায় তিনি দীর্ঘদিন নিজ বাড়িতে একা বসবাস করতেন বলে জানা গেছে।

এ ধরনের ঘটনায় মৃত্যুর সঠিক সময় নির্ধারণ, প্রতিবেশীদের বক্তব্য সংগ্রহ, বাড়িতে প্রবেশ ও বের হওয়ার তথ্য যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আলামত পরীক্ষা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে। তবে এসব বিষয়ে পুলিশ কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা বিস্তারিতভাবে জানা যায়নি।

বৃদ্ধার শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকার কথা পুলিশ জানিয়েছে। ফলে মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের অন্যান্য তথ্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করবে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে দায়ী করা কিংবা ঘটনার পেছনে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ছিল বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সমীচীন নয়।

পবার খড়খড়ি কমলাপুরে জমি নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত বাঁশ ব্যবসায়ী

অন্যদিকে, রাজশাহীর পবা উপজেলার খড়খড়ি কমলাপুর এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে জিয়ারুল ইসলাম (৪৫) নামে এক বাঁশ ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি মৃত ওসমান আলীর ছেলে। বাঁশ দিয়ে তৈরি আসবাবপত্রের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জিয়ারুল ইসলাম ও মিনারুল সম্পর্কে চাচাতো ভাই। তাঁদের পূর্বপুরুষদের মধ্যে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে মামলা-মোকদ্দমাও চলমান ছিল বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।

রোববার মিনারুল বিরোধপূর্ণ জমিটি একজন সম্ভাব্য ক্রেতাকে দেখাতে গেলে বিষয়টি জিয়ারুল ইসলামের পক্ষের লোকজন জানতে পারেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষের মধ্যে জিয়ারুল ইসলাম অচেতন হয়ে পড়লে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

তবে সংঘর্ষের সূচনা কীভাবে হয়েছিল, কারা এতে অংশ নিয়েছিলেন, কী ধরনের আঘাতে জিয়ারুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে এবং এ ঘটনায় অন্য কেউ আহত হয়েছেন কি না—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। ঘটনাটির প্রকৃত চিত্র নির্ধারণে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য এবং পুলিশের তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জমির বিরোধ থেকে প্রাণহানি—আইনগত নিষ্পত্তির প্রশ্ন

জমি নিয়ে বিরোধ বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় পারিবারিক ও সামাজিক দ্বন্দ্বের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের বিরোধ মামলা-মোকদ্দমার মাধ্যমে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকে। কিন্তু বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির দখল, বিক্রির উদ্যোগ কিংবা মালিকানা নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হলে তা সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে।

খড়খড়ি কমলাপুরের ঘটনায় স্থানীয় সূত্র জমিসংক্রান্ত বিরোধকে সংঘর্ষের পটভূমি হিসেবে উল্লেখ করেছে। তবে জমিটির মালিকানা, চলমান মামলার বিষয়বস্তু এবং সংঘর্ষে কার কী ভূমিকা ছিল, তা নথি ও তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

কোনো জমি নিয়ে বিরোধ থাকলে তার সমাধান আদালত ও আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হওয়া উচিত। বিরোধপূর্ণ জমি দেখানো বা বিক্রির উদ্যোগের সঙ্গে সংঘর্ষের সম্পর্ক কী ছিল, সেটিও তদন্তে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে, কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তাদের বক্তব্য গ্রহণ এবং প্রমাণের ভিত্তিতে দায় নির্ধারণ করা জরুরি।

জিয়ারুল ইসলামের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত করা গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

দুই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে

পৃথক দুটি ঘটনায় নিহত বেলী খাতুন ও জিয়ারুল ইসলামের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর ধরন, সম্ভাব্য কারণ এবং আঘাতের প্রকৃতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তদন্তের অন্যান্য আলামত ও সাক্ষ্য-প্রমাণের সঙ্গে এসব তথ্য মিলিয়ে পুলিশ পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারবে।

বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি মাছুমা মুস্তারী বৃদ্ধার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য জানিয়েছেন। অন্যদিকে, চন্দ্রিমা থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, জিয়ারুল ইসলামের মৃত্যুর ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তদন্তের অগ্রগতি ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা

রাজশাহীতে একই রাতে পৃথক ঘটনায় দুইজনের মৃত্যুর ঘটনায় স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একটি ঘটনায় নিজ বাড়িতে একা বসবাসকারী বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার এবং অন্য ঘটনায় দীর্ঘদিনের জমিসংক্রান্ত বিরোধের পর সংঘর্ষে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু—দুটি ঘটনাই যথাযথ তদন্তের দাবি রাখে।

বেলী খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় আটক তিনজনের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। একইভাবে, জিয়ারুল ইসলামের মৃত্যুর ঘটনায় সংঘর্ষে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

দুই ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ, সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পর্যালোচনার মাধ্যমে সত্য উদ্‌ঘাটন করা জরুরি। পাশাপাশি, কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন এবং প্রকৃত দায়ী ব্যক্তিরা যেন আইনের আওতায় আসেন, তা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ মনে করে, প্রাণহানির মতো গুরুতর ঘটনায় দ্রুত, নিরপেক্ষ ও প্রমাণভিত্তিক তদন্ত নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তদন্তের ফল এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানার সুযোগ তৈরি হবে।


More News Of This Category
bdit.com.bd