• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট যশোরে আওয়ামী লীগের নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগের প্রতিবাদে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হঠাৎ ‘স্যরি’ বলল প্রথম আলো, কেন এই ক্ষমা চাওয়া? সামনে এলো আসল কারণ কবিতা, কলম ও রাষ্ট্রচিন্তায় বহুমাত্রিক পথচলা: কবি অথই নূরুল আমিনের জীবন, সাহিত্যকর্ম ও মানবিক উদ্যোগের বিস্তৃত অধ্যায় মাগুরায় যুবদল নেতা সাকের হোসেন হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড় রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ, জাপান সফরের সাফল্য ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তি নিয়ে আলোচনা কেশবপুরে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের ৬৮.৭৫ শতক জমি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ: আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্যের দাবি, থানায় লিখিত অভিযোগ বেনাপোলে মাদক ও অপরাধ দমনে ওসি শহীদ তিতুমীরের কঠোর অবস্থান: যোগদানের পাঁচ দিনের মধ্যেই মাঠপর্যায়ে তৎপরতা, স্বস্তি ও আশার সঞ্চার সীমান্তবাসীর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের ‘মনগড়া’ নিয়মে পাঠদান বন্ধের অভিযোগ, ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা শিক্ষা কর্মকর্তার সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সক্ষম বাংলাদেশ গড়তে প্রয়োজন মানসম্মত নেতৃত্ব, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় ঐক্য: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল যশোর-১ (শার্শা) আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

যমুনায় দুই মহানায়কের ঐতিহাসিক সন্ধি: ড. ইউনূসের প্রজ্ঞা ও তারেক রহমানের জনভিত্তি—নতুন বাংলাদেশের মহাকাব্যিক সূর্যোদয়!

নাজমুল হাসান চিফ ইন এডিটর / ২৯৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

নতুন বাংলাদেশের নবদিগন্ত: যমুনায় ড. ইউনূস-তারেক রহমান ঐতিহাসিক সন্ধি
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা | ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, রাত ১০:৩০

[ঢাকা] ১৫ জানুয়ারি ২০২৬; বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় এক স্বর্ণোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে আজকের এই দিনটি। যখন ঘড়ির কাঁটা রাত ৯টা ৩০ মিনিট স্পর্শ করল, তখনই দেশজুড়ে এক অভাবনীয় আলোড়ন সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে স্বয়ং বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান তাঁর অফিশিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক বিশেষ পোস্টের মাধ্যমে জাতির সামনে উন্মোচন করেন এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের চিত্র। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, বিশ্ববরেণ্য অর্থনীতিবিদ প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তাঁর এই সপরিবারে সৌজন্য সাক্ষাৎ কেবল একটি বৈঠক ছিল না; এটি ছিল ১৮ কোটি মানুষের স্বপ্নের এক নতুন রাজনৈতিক সূর্যোদয়।

‘সবার আগে বাংলাদেশ’: আভিজাত্য নয়, জনতার কাতারে নেতা
আজকের সন্ধ্যার প্রতিটি মুহূর্ত ছিল টানটান উত্তেজনাপূর্ণ। সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে গুলশান কার্যালয় থেকে বের হয়ে জনাব তারেক রহমান তাঁর বাসভবনে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করেন। এরপর ৬টা ৫২ মিনিটে তিনি এক অনন্য নজির স্থাপন করেন। কোনো বিলাসবহুল বুলেটপ্রুফ গাড়ি বা বিশাল সাঁজোয়া বহর নয়, বরং তিনি সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান সম্বলিত একটি বিশেষ বাসে চড়ে যমুনার উদ্দেশ্যে রওনা হন।

সপরিবারে এই যাত্রায় তাঁর সঙ্গে ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি ডা. জুবাইদা রহমান এবং আগামীর প্রজন্মের উজ্জ্বল নক্ষত্র ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় যখন তাঁরা যমুনার আঙিনায় পৌঁছান, তখন সেখানে এক উৎসবমুখর এবং গাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সাধারণ বাসে চড়ে এই আগমন প্রমাণ করে যে, জনাব তারেক রহমান আভিজাত্যের চেয়ে জনগণের সাথে একাত্ম হওয়াকেই সর্বোচ্চ মর্যাদা দেন।

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস: রাষ্ট্র সংস্কারের প্রধান রূপকার
শান্তিতে নোবেলজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আজ কেবল বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি আজ বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের অনন্য আস্থার প্রতীক। তাঁর অসামান্য প্রজ্ঞা এবং প্রশাসনিক দক্ষতায় ভঙ্গুর রাষ্ট্রব্যবস্থা যেভাবে পুনর্গঠিত হচ্ছে, তা বিশ্ব ইতিহাসে এক বিস্ময়। ডক্টর ইউনূসের প্রতিটি সংস্কারমূলক পদক্ষেপ এবং অর্থনৈতিক মেরামতের উদ্যোগ আজ সাধারণ মানুষের মনে দীর্ঘস্থায়ী স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। তাঁর নিরপেক্ষতা এবং সকল রাজনৈতিক পক্ষকে এক টেবিলে বসানোর এই অসামান্য ক্ষমতা তাঁকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আজকের বৈঠকে তাঁর অমায়িক আতিথেয়তা প্রমাণ করে যে, তিনি দেশকে একটি টেকসই ও মেধাভিত্তিক গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর।

জনাব তারেক রহমান: ধীরস্থির ও আধুনিক রাষ্ট্রনায়ক
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন এবং সীমাহীন রাজনৈতিক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে জনাব তারেক রহমান আজ এক অত্যন্ত পরিণত ও দূরদর্শী বিশ্বনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। মা বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের পর তিনি যেভাবে শোককে শক্তিতে পরিণত করেছেন এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে ‘জাতীয় ঐক্য’ ও ‘রাষ্ট্র সংস্কারের’ ডাক দিয়েছেন, তা আজ গণমানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। তাঁর এই আধুনিক চিন্তা, মেধা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা আজ তাঁকে দেশের অবিসংবাদিত কাণ্ডারিতে পরিণত করেছে। জনাব তারেক রহমানের এই কূটনৈতিক প্রজ্ঞা বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক সুস্থ ধারার সূচনা করেছে।

ডক্টর এনএস মামাদ: বুদ্ধিবৃত্তিক বিপ্লবের নেপথ্য কারিগর
এই নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় এবং বর্তমান স্থিতিশীলতা আনয়নে ডক্টর এনএস মামাদ-এর ভূমিকা আজ সর্বজনস্বীকৃত। তাঁর অসাধারণ বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা এবং নিরপেক্ষ পরামর্শ আজ রাষ্ট্র গঠনের প্রতিটি স্তরে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ডক্টর মামাদের মতো মেধাবী ও যোগ্য ব্যক্তিত্বের সঠিক দিকনির্দেশনাই আজ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। তাঁর এই নিঃস্বার্থ অবদান এবং প্রখর দূরদর্শিতা আজ সারা দেশের মানুষের প্রশংসায় ভাসছে। ডক্টর মামাদ প্রমাণ করেছেন যে, মেধা দিয়ে কীভাবে একটি জাতিকে সঠিক পথে পরিচালিত করা যায়।

ফেসবুক বিপ্লব: রাত ৯টা ৩০ মিনিটের সেই ঐন্দ্রজালিক বার্তা
আজকের এই ঐতিহাসিক বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য এবং ছবি রাত ৯টা ৩০ মিনিটে জনাব তারেক রহমান নিজেই তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন। মুহূর্তের মধ্যে লাখ লাখ লাইক, শেয়ার আর কমেন্টে ভার্চুয়াল জগৎ যেন একটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়। জনগণের কাছে সরাসরি স্বচ্ছ তথ্য পৌঁছে দেওয়ার এই আধুনিক প্রক্রিয়াটি দেশের প্রতিটি নাগরিকের মাঝে এক বিশাল আস্থার জায়গা তৈরি করেছে। এটি কেবল একটি পোস্ট ছিল না, এটি ছিল নতুন বাংলাদেশের ডিজিটাল স্বচ্ছতার এক অনন্য স্বাক্ষর।

বৈঠকের মূল নির্যাস: কী আলোচনা হলো যমুনায়?
নির্ভরযোগ্য সূত্র অনুযায়ী, রুদ্ধদ্বার কক্ষে অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা চলে। আলোচনার মূল স্তম্ভগুলো ছিল:

অর্থনৈতিক পুনর্গঠন: ড. ইউনূসের অর্থনৈতিক রূপরেখায় জনাব তারেক রহমানের পূর্ণ সমর্থন এবং বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ গড়ার অঙ্গীকার।

নির্বাচনী রোডম্যাপ: একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের শাসন কায়েম করতে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার ত্বরান্বিত করা।

জাতীয় সংহতি: দলীয় সংকীর্ণতা ভুলে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই মূলমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠন।

এক নতুন সূর্যের পথে বাংলাদেশ
প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং জনাব তারেক রহমানের আকাশচুম্বী জনসমর্থন—এই দুই মহান শক্তির মিলন আজ বাংলাদেশকে এক অনন্য শিখরে নিয়ে গেছে। যমুনার এই বৈঠক কেবল একটি রাজনৈতিক সমীকরণ নয়, এটি ১৬ কোটি মানুষের মুক্তির অঙ্গীকার। ড. ইউনূস এবং জনাব তারেক রহমানের এই যুগলবন্দী বাংলাদেশের জন্য বয়ে আনবে এক সোনালী ও বৈষম্যহীন ভবিষ্যৎ।


More News Of This Category
bdit.com.bd