• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বন্দর এলাকা, পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও সীমান্তপথে যাত্রীদের নিরাপদ চলাচলে প্রশংসায় ভাসছেন বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই (নিঃ) মো. রাশেদুজ্জামান ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ২২০ ইয়াবা, ৯ বোতল ফেনসিডিল ও নগদ ৩২ হাজার টাকা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ এফবিআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আইজিপির সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে ডাকাতের কবলে বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর, সহকর্মীদের দোয়া ও সহযোগিতার আহ্বান মাছ ধরতে গিয়ে জেলের জালে মিলল থানা থেকে লুট হওয়া শর্টগান বেনাপোল কাস্টম চেকপোস্টে ‘স্পট ট্যাক্স’ বন্ধ, লাগেজ হয়রানি ও উন্নয়ন প্রশ্নে বাড়ছে জনঅসন্তোষ: রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান: বড়আঁচড়া সড়কের অস্থায়ী সংস্কারে উদ্যোগ, এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি বেনাপোলের গর্ব মারিয়া আফরিন তিষু: ছাত্ররাজনীতিতে নেতৃত্ব, গণমাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনায় নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা পলাশবাড়ীতে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর পেট মুচড়ে ও বেঞ্চে শুইয়ে নির্যাতনের অভিযোগ শিক্ষক মিথুনের বিরুদ্ধে মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি

মহামারিকালেও থামেননি তিনি: মৃত্যুভয়ের মাঝেও সংগঠনের মশাল হাতে এগিয়ে যান নূরুজ্জামান লিটন

Reporter Name / ৯৪ Time View
Update : বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫

 

মহামারিকালেও থামেননি তিনি: মৃত্যুভয়ের মাঝেও সংগঠনের মশাল হাতে এগিয়ে যান নূরুজ্জামান লিটন

শার্শা, যশোর | প্রতিবেদক
২০২০ সাল—বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনাভাইরাস। বাংলাদেশে একের পর এক মৃত্যু, অসংখ্য মানুষ কোয়ারেন্টিনে। হাসপাতালগুলোতে হাহাকার, শহরজুড়ে নিস্তব্ধতা, সর্বত্র আতঙ্ক। সরকার সারাদেশে ঘোষণা করে কঠোর লকডাউন। স্বাভাবিক জনজীবন পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়ে।

এই ভয়াবহ প্রেক্ষাপটেও এক ব্যক্তি থেমে যাননি। সাধারণ মানুষ যখন ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছে, ঠিক তখনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে নামেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নূরুজ্জামান লিটন। উদ্দেশ্য ছিল স্পষ্ট: খুলনা বিভাগে যুবদলের সাংগঠনিক কাঠামো নতুন করে দাঁড় করানো এবং আন্দোলনের ভিত আরও শক্ত করা।

নেতৃত্ব নয়, দায়িত্ববোধই প্রেরণা

আলহাজ্ব লিটনের এই সময়ের ভূমিকা ছিল অনন্য।
যখন অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতা ঘরে আবদ্ধ,
দলীয় কর্মকাণ্ড স্থগিত,
তখন লিটন ভাই হিমশীতল মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে ছুটেছেন জেলা থেকে জেলায়—যুবদলের কর্মীদের খোঁজে, সাংগঠনিক ছন্দে ফেরা আর আন্দোলনের প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে।

স্থানীয় পর্যায়ের বিশ্বস্ত সূত্র, জনাব আলমগীর হোসেন, জানিয়েছেন—সে সময় খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহসহ একাধিক জেলায় লিটন ভাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে গোপনে বৈঠক করেছেন। তার ভাষায়, “অনেকে ঘরবন্দি, কিন্তু লিটন ভাই তখনও নেতা খুঁজছেন। তখন বুঝেছি, উনি নেতা নন—উনি আমাদের একজন সাহসী অভিভাবক।”

সাহসিকতা, ত্যাগ ও প্রতিশ্রুতির প্রতীক

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নূরুজ্জামান লিটনের সেই সময়কার ভূমিকা শুধু যুবদলের গঠনতন্ত্র রক্ষা করেই থেমে থাকেনি—বরং আন্দোলনের অনলাইন-অফলাইন ভিত্তিকে শক্তিশালী করেছিল। তার উদ্যোগে একাধিক ইউনিয়নে নতুন কমিটি গঠিত হয় এবং ভবিষ্যতের আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতির রূপরেখা তৈরি হয়।

তিনি প্রমাণ করেছেন—
নেতৃত্ব মানে শুধুমাত্র নির্দেশ দেওয়া নয়, নেতৃত্ব মানে বিপদের সময় সামনে থাকা।
নেতৃত্ব মানে লুকিয়ে থাকা নয়, বরং ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়া।

ধানের শীষের ভবিষ্যৎ প্রার্থী হিসেবে মূল্যায়ন

বর্তমানে আলহাজ্ব নূরুজ্জামান লিটনকে যশোর-৮৫/১ আসনের একজন সম্ভাব্য ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে বিবেচনা করছেন নেতাকর্মীরা। করোনা মহামারিকালে তার ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ তাকে এই আসনের জন্য একটি শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।

দলীয় সূত্র জানায়, তার গ্রহণযোগ্যতা এবং সাহসিকতা একদিকে যেমন নেতাকর্মীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে এনেছে, অন্যদিকে ভোটারদের কাছেও তিনি একজন পরিচ্ছন্ন, কর্মঠ ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে পরিচিত হচ্ছেন।

করোনার মতো বৈশ্বিক সংকট কাকে প্রকৃত নেতা করে তোলে—তার এক বাস্তব উদাহরণ হলেন আলহাজ্ব নূরুজ্জামান লিটন।
তার নেতৃত্ব, সাহসিকতা ও আত্মত্যাগ আজ শুধু দল নয়, বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসেও একটি গর্বের অধ্যায় হয়ে থাকবে।

তথ্যসূত্র: জনাব আলমগীর হোসেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা ও প্রত্যক্ষদর্শী।


More News Of This Category
bdit.com.bd