• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ২২০ ইয়াবা, ৯ বোতল ফেনসিডিল ও নগদ ৩২ হাজার টাকা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ এফবিআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আইজিপির সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে ডাকাতের কবলে বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর, সহকর্মীদের দোয়া ও সহযোগিতার আহ্বান মাছ ধরতে গিয়ে জেলের জালে মিলল থানা থেকে লুট হওয়া শর্টগান বেনাপোল কাস্টম চেকপোস্টে ‘স্পট ট্যাক্স’ বন্ধ, লাগেজ হয়রানি ও উন্নয়ন প্রশ্নে বাড়ছে জনঅসন্তোষ: রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান: বড়আঁচড়া সড়কের অস্থায়ী সংস্কারে উদ্যোগ, এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি বেনাপোলের গর্ব মারিয়া আফরিন তিষু: ছাত্ররাজনীতিতে নেতৃত্ব, গণমাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনায় নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা পলাশবাড়ীতে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর পেট মুচড়ে ও বেঞ্চে শুইয়ে নির্যাতনের অভিযোগ শিক্ষক মিথুনের বিরুদ্ধে মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি

ভয়ঙ্কর খুনি কর্ণেল (অব.) ইমরান ইবনে রউফ কি দেশত্যাগের প্রস্তুতিতে

Reporter Name / ১২৭ Time View
Update : রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫

 

ভয়ঙ্কর খুনি কর্ণেল (অব.) ইমরান ইবনে রউফ কি দেশত্যাগের প্রস্তুতিতে

প্রতিবেদক : বিশেষ প্রতিনিধি
তারিখ : ১ নভেম্বর ২০২৫
বিভাগ : রাজনীতি

আগামী ২ নভেম্বর কর্ণেল (অবসরপ্রাপ্ত) ইমরান ইবনে রউফের পাসপোর্ট ডেলিভারি হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, তিনি পাসপোর্টটি হাতে পেলেই বিদেশে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এই তথ্য সামনে আসতেই নানা মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ইমরান ইবনে রউফের নাম বহু বছর ধরেই বিতর্কিত ও ভয়াবহ কিছু ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে রয়েছে মানবাধিকার লঙ্ঘন, পরিকল্পিত হত্যা ও রাজনৈতিক নির্যাতনের একাধিক অভিযোগ।

সূত্র জানায়, কর্ণেল (অব.) ইমরান ইবনে রউফ ছিলেন “খুনি” জিয়াউল আহসানের অন্যতম সহযোগী। তার নেতৃত্বে ও প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংঘটিত হয়েছে দেশের ইতিহাসের কিছু নির্মম ঘটনা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ২০১৩ সালের শাপলা গণহত্যা, যেখানে শতাধিক নিরস্ত্র মানুষ প্রাণ হারান। তারেক রহমানের ওপর নির্মম নির্যাতন, ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের পর দমন অভিযান যেখানে ৪১ জন বিডিআর সৈনিককে হত্যা করা হয়, এবং ২০১৪ সালে উত্তরবঙ্গে নিরীহ গ্রামবাসীর ওপর গুলি চালিয়ে সাতজনকে হত্যা করার ঘটনাও তার নেতৃত্বাধীন বাহিনীর নামে রেকর্ড হয়।

এসব ঘটনার পেছনে ইমরান ইবনে রউফের প্রত্যক্ষ ভূমিকার প্রমাণ চেয়ে বহুবার তদন্ত দাবি উঠলেও, এখনো কোনো স্বচ্ছ তদন্ত বা আইনি পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

অভিযোগ উঠেছে, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জেনারেল জাহাঙ্গীর এই ঘটনায় রহস্যজনকভাবে নীরব রয়েছেন। একজন অভিযুক্ত কর্মকর্তা দেশত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন— অথচ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কোনো মন্তব্য বা পদক্ষেপ আসেনি। আইন ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি সত্যিই তার বিরুদ্ধে এইসব গুরুতর অভিযোগ থাকে, তবে তাকে দেশত্যাগের সুযোগ দেওয়া জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক।

দেশের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, এই বিষয়টি শুধু একটি ব্যক্তির নয়, বরং রাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থার বিষয়। তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের পাসপোর্ট ইস্যু অবিলম্বে স্থগিত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করতে।

এখন সকলের চোখ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দিকে— ইমরান ইবনে রউফ কি সত্যিই পালিয়ে যাবেন, নাকি রাষ্ট্র এবার জবাবদিহিতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। যে কোনো দিকেই ঘটনাটি গড়াক না কেন, দেশের ইতিহাসে এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

 


More News Of This Category
bdit.com.bd