বরানগরে একুশে জুলাই স্মরণে মিছিল-সভার বার্তা: ধর্মতলা চলো! শহীদদের প্রতি মমতার অঙ্গীকার
বরানগর, ১৭ জুলাই ২০২৫ (বৃহস্পতিবার)
রিপোর্টার: সমরেশ রায় ও শম্পা দাস
অমর একুশে জুলাই সামনে রেখে রাজ্য জুড়ে যখন প্রস্তুতির ঢেউ, তখন বরানগর পৌরসভার ৭, ৮ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় একত্রিতভাবে আয়োজিত হলো এক বিশাল মিছিল ও পথসভা। স্থান: তাঁতিপাড়া মোড়। আয়োজনের নেতৃত্বে ছিল উত্তর বরানগর শহর তৃণমূল ছাত্র পরিষদ।
নেতৃত্ব ও উপস্থিতি:
সভায় উপস্থিত ছিলেন বরানগর বিধানসভার বিধায়িকা সায়ন্তিকা ব্যানার্জি, রাজ্য তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়দর্শিনী ঘোষ, এবং দমদম-ব্যারাকপুর জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি বানী ব্রত চক্রবর্তী।
উপস্থিত ছিলেন পৌর কাউন্সিলর নীলু গুপ্তা (ওয়ার্ড ৭), তিতলি পাত্র মজুমদার (ওয়ার্ড ৮), সিআইসি রামকৃষ্ণ পাল, এবং তৃণমূল নেতৃত্বের অনেকে — রোহিত, রতন, অজয়, শ্যামাদা, সীমা, নিতাই, গৌতম, কমল বাবু প্রমুখ।
সম্মানিত অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে ও পুষ্পস্তবক দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।
শহীদদের স্মরণ ও একুশে জুলাইয়ের তাৎপর্য:
১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই—এক ঐতিহাসিক কালো দিন। বাম আমলে, পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন তৃণমূলের ১৩ জন তরুণ। সেই শহীদদের শ্রদ্ধায় প্রতিবছর ধর্মতলায় শহীদ দিবস পালন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বক্তারা বলেন, একুশে জুলাই কেবল রাজনৈতিক স্মারক নয়, এটি বাংলার গণতন্ত্রের রক্তাক্ত ভিত্তি। এই সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল সেই শহীদদের স্মরণ ও ‘ধর্মতলা চলো’ বার্তা পৌঁছে দেওয়া।
মমতার বার্তা রাজ্যজুড়ে:
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই আজ শহীদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লড়াই অব্যাহত। একুশে জুলাইয়ের সভাকে সামনে রেখে রাজ্যের প্রতিটি জেলা, ব্লক, পৌরসভায় চলছে প্রস্তুতি। নতুন প্রকল্পের ঘোষণার পাশাপাশি থাকবে রাজনৈতিক বার্তা।
মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ:
বরানগরের সর্বস্তরের মানুষ পায়ে পা মিলিয়ে অংশ নিয়েছেন আজকের সভায়। তরুণ থেকে প্রবীণ, সাধারণ নাগরিক থেকে জনপ্রতিনিধি—সবাই এক কণ্ঠে বলছেন: “শহীদদের ভুলিনি, ভুলব না। ধর্মতলায় দেখা হবে!”
—
১ মিনিট ভিডিও স্ক্রিপ্ট (রিলস/ইউটিউব শর্টস):
[ওপেনিং ভিজ্যুয়াল: জনসমুদ্র, হাতে প্ল্যাকার্ড, স্লোগান]
ভয়েসওভার:
“বরানগর আজ গর্জে উঠেছে! একুশে জুলাইয়ের আগে তাঁতিপাড়া মোড়ে জমজমাট মিছিল ও সভা।”
“উপস্থিত ছিলেন বিধায়িকা সায়ন্তিকা, প্রিয়দর্শিনী ঘোষ ও ছাত্র-যুব নেতারা। বার্তা একটাই—
‘ধর্মতলা চলো, শহীদদের স্মরণে এক হই!’
🕊️ “১৯৯৩ সালে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারানো ১৩ জন শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মমতার নেতৃত্বে এবারও বিশাল জমায়েতের ডাক।”
“বরানগর বলছে—ভুলিনি, ভুলব না। একুশে জুলাই, ধর্মতলায় দেখা হবে!”