• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বন্দর এলাকা, পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও সীমান্তপথে যাত্রীদের নিরাপদ চলাচলে প্রশংসায় ভাসছেন বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই (নিঃ) মো. রাশেদুজ্জামান ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ২২০ ইয়াবা, ৯ বোতল ফেনসিডিল ও নগদ ৩২ হাজার টাকা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ এফবিআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আইজিপির সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে ডাকাতের কবলে বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর, সহকর্মীদের দোয়া ও সহযোগিতার আহ্বান মাছ ধরতে গিয়ে জেলের জালে মিলল থানা থেকে লুট হওয়া শর্টগান বেনাপোল কাস্টম চেকপোস্টে ‘স্পট ট্যাক্স’ বন্ধ, লাগেজ হয়রানি ও উন্নয়ন প্রশ্নে বাড়ছে জনঅসন্তোষ: রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান: বড়আঁচড়া সড়কের অস্থায়ী সংস্কারে উদ্যোগ, এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি বেনাপোলের গর্ব মারিয়া আফরিন তিষু: ছাত্ররাজনীতিতে নেতৃত্ব, গণমাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনায় নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা পলাশবাড়ীতে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর পেট মুচড়ে ও বেঞ্চে শুইয়ে নির্যাতনের অভিযোগ শিক্ষক মিথুনের বিরুদ্ধে মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি

প্রবাসে হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন: জাপানে অভুক্ত অবস্থায় মৃত্যু বাংলাদেশি যুবকের

Reporter Name / ১৫৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

 


কুয়েত প্রতিনিধি :

 

🗓️ ৩০ জুন ২০২৫ | জাপানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পেছনে ক্ষুধা ও নিঃসঙ্গতা

প্রবাসে হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন: জাপানে অভুক্ত অবস্থায় মৃত্যু বাংলাদেশি যুবকের

জাপানের একটি উন্নত শহরে উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি দিয়েছিলেন এক ২৭ বছরের বাংলাদেশি যুবক। মোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়াশোনার জন্য বিদেশে পাড়ি জমানো এই যুবক স্বপ্ন দেখেছিলেন নিজের ও পরিবারের একটি সুন্দর ভবিষ্যতের। কিন্তু সেই স্বপ্নের শেষ হলো এক নির্মম পরিণতিতে—দিনের পর দিন না খেয়ে, নিঃসঙ্গতায় কাটিয়ে মৃত্যুবরণ করতে হলো তাকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯ মাস ধরে বিভিন্ন অভাব-অনটনের মধ্যে জীবনযাপন করছিলেন তিনি। খাবারের টাকার অভাবে অনেক সময় একবেলা খাওয়াই হয়ে উঠত স্বপ্নের মত। দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ ছিল পরিবার থেকে অর্থ পাঠানোও। নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করছিলেন, বন্ধ হয়েছিল বাইরের সঙ্গে যোগাযোগ। কেউ খোঁজ নেয়নি—না প্রবাসী বন্ধু, না স্থানীয় বাংলাদেশি সংগঠন।

মৃত্যুর পর জানা যায়, টানা ১৫ দিন ধরে রুমের বাইরে যাননি তিনি। কেউ খোঁজ করেনি, কেউ প্রশ্ন করেনি—”তুমি কেমন আছো?” মোবাইল বন্ধ ছিল, ঘরের দরজা ছিল বন্ধ, যোগাযোগ ছিল না কারো সঙ্গে। যখন তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়, তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে।

বিশ্বজুড়ে মানবতার জয়গান গাওয়া হয়। কিন্তু এ মৃত্যুর পর প্রশ্ন উঠছে—মানবতা কোথায় ছিল? কেন কেউ এগিয়ে এলো না? কেন সে নিজেকে এমনভাবে লুকিয়ে ফেলল, যাতে কেউ জানতেও পারল না তার ক্ষুধার কথা, তার কষ্টের কথা?

প্রসঙ্গত, তার মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢেউ ওঠে। সবাই তাকে স্মরণ করছে, কেউ বলছে ‘মানুষ ছিল’, কেউ বলছে ‘আমাদের ভুল ছিল’। কিন্তু মৃত্যুর আগমুহূর্তে সে ছিল নিঃসঙ্গ, অগোচরে হারিয়ে যাওয়া এক প্রবাসী যুবক।

জাপানের মতো উন্নত দেশে, যেখানে আইন-কানুন ও মানবিক সুবিধার কথা বলা হয়, সেখানে একটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর অনাহারে মৃত্যুর ঘটনা রীতিমত বিব্রতকর ও হৃদয়বিদারক। বিষয়টি এখন কেবল একটি মৃত্যুর ঘটনা নয়—এটি আমাদের সমষ্টিগত ব্যর্থতা, এক নিঃসঙ্গ মৃত্যুর দায় আমাদের সবার।


এই রিপোর্টটি নিউজ পোর্টালে সরাসরি পাবলিশযোগ্য, কোনো নাম বা অনলাইন হ্যান্ডেল ছাড়াই।
চাইলেই এ নিয়ে এক মিনিটের রিল স্ক্রিপ্টও সাজিয়ে দিতে পারি। বললেই তৈরি করে দিচ্ছি।


More News Of This Category
bdit.com.bd