• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আইন মেনে তালাকের পর সাবেক স্ত্রীর হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা: বৃদ্ধ মায়ের জীবন শঙ্কায়, আতঙ্কে পুরো পরিবার বন্দর এলাকা, পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও সীমান্তপথে যাত্রীদের নিরাপদ চলাচলে প্রশংসায় ভাসছেন বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই (নিঃ) মো. রাশেদুজ্জামান ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ২২০ ইয়াবা, ৯ বোতল ফেনসিডিল ও নগদ ৩২ হাজার টাকা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ এফবিআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আইজিপির সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে ডাকাতের কবলে বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর, সহকর্মীদের দোয়া ও সহযোগিতার আহ্বান মাছ ধরতে গিয়ে জেলের জালে মিলল থানা থেকে লুট হওয়া শর্টগান বেনাপোল কাস্টম চেকপোস্টে ‘স্পট ট্যাক্স’ বন্ধ, লাগেজ হয়রানি ও উন্নয়ন প্রশ্নে বাড়ছে জনঅসন্তোষ: রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান: বড়আঁচড়া সড়কের অস্থায়ী সংস্কারে উদ্যোগ, এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি বেনাপোলের গর্ব মারিয়া আফরিন তিষু: ছাত্ররাজনীতিতে নেতৃত্ব, গণমাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনায় নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা পলাশবাড়ীতে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর পেট মুচড়ে ও বেঞ্চে শুইয়ে নির্যাতনের অভিযোগ শিক্ষক মিথুনের বিরুদ্ধে

নাজিয়া ও রাকিনের সতর্কবার্তা: “দেশে আবারও পিলখানার মতো ঘটনা ঘটতে পারে”

Reporter Name / ১০২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

 

নাজিয়া ও রাকিনের সতর্কবার্তা: “দেশে আবারও পিলখানার মতো ঘটনা ঘটতে পারে”

দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ, ডেস্ক রিপোর্ট

দেশের ইতিহাসে নৃশংস অধ্যায়ের অন্যতম ঘটনা—১৯৮৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের সময় শহীদ হওয়া সাহসী সেনা সদস্যদের হত্যার বিচার এখনও অসম্পূর্ণ। এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে আবারও শঙ্কা দেখা দিয়েছে যে, দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ভেতরে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি দেশের শান্তি ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।

শহীদ মেজর মোসাদ্দেকের কন্যা নাজিয়া সম্প্রতি এই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন,
“আমরা এখানে একজন এতিম বা বিধবা হিসেবে দাঁড়াইনি। আমরা দাঁড়িয়েছি দেশের স্বাধিকার ও ন্যায়বিচারের জন্য। কিন্তু আমাদের দেশে এমন কিছু প্রভাবশালী মানুষ আছে যারা দেশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার সঙ্গে খেলছে। যারা সামান্য প্রমোশনের জন্য নিজেদের বিবেক বিক্রি করেছে, তারা এখন সেনাবাহিনীতে উচ্চ পদে অবস্থান করছে।”

নাজিয়া সতর্ক করে বলেন, “যতক্ষণ এই ধরনের কর্মকর্তা পদে থাকবেন, দেশের স্বাধীনতা পূর্ণরূপে নিশ্চিত হবে না। তদন্তে অনেকের নাম গোপন রাখা হয়েছে। শুধু কিছু নাম প্রকাশিত হয়েছে, যেমন জেনারেল আজিজ, তবে আরও অনেকে জড়িত।”

অন্যদিকে, মেজর জেনারেল শাকিলের ছেলে রাকিনও শক্তিশালী বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন,
“শরীরে সেনার রক্ত বয়ে যাওয়া পর্যন্ত আমি এই হত্যার বিচার চাইব। আমাকে বাবা-মার লাশ দেখার সুযোগ দেয়া হয়নি। আমি যদি লাশ দেখতাম, হয়তো সহ্য করতে পারতাম না।”

নাজিয়া ও রাকিন উভয়ের বক্তব্যই স্পষ্টভাবে তুলে ধরে যে, দেশের নিরাপত্তা রক্ষা করা শুধু আইনগত বিচার নয়, জনগণের সচেতনতা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার সতর্কতার ওপরও নির্ভর করছে।

মূল বার্তা:

দেশকে সচেতন ও নিরাপদ রাখতে সকলকে একসাথে দাঁড়াতে হবে।

যারা দেশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কাজ করেছে, তাদের চিহ্নিত ও দায়িত্বশীল পদ থেকে সরাতে হবে।

হত্যাকাণ্ডের সকল সংশ্লিষ্টদের নাম প্রকাশ করা এবং বিচারের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

শহীদদের ত্যাগ ও অভিভাবকদের কষ্টকে সম্মান জানিয়ে, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।


More News Of This Category
bdit.com.bd