নতুন বাংলাদেশের রূপকার তারেক রহমান: স্বচ্ছতা ও সুশাসনের বজ্রশপথ
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বিগত দেড় দশকের অন্ধকার কাটিয়ে এক নতুন, সমৃদ্ধ এবং লুণ্ঠনমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে আবির্ভূত হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গত ৩ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ম্যাগাজিন ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’-কে দেওয়া এক ঐতিহাসিক সাক্ষাৎকারে তিনি দেশপ্রেম এবং সুশাসনের যে নতুন রোডম্যাপ ঘোষণা করেছেন, তা আজ দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের মনে আশার আলো জাগিয়েছে।
স্বৈরাচারের পতন ও লুণ্ঠনের অবসান
তারেক রহমান তাঁর সাক্ষাৎকারে অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে বিগত ১৫ বছরের দুঃশাসনের চিত্র তুলে ধরেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, গত দেড় দশকে দেশে যে নজিরবিহীন অর্থ পাচার এবং সম্পদ লুণ্ঠন হয়েছে, তার মূল কারণ ছিল একটি জবাবদিহিতাহীন স্বৈরাচারী সরকার। জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া ক্ষমতা দখলকারীরা কেবল নিজেদের পকেট ভারী করতেই ব্যস্ত ছিল। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, জনবিচ্ছিন্ন কোনো সরকার কখনো দেশের উন্নয়ন করতে পারে না, বরং তারা রাষ্ট্রকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়।
কেন বিএনপি এবং তারেক রহমানই বিকল্প?
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তারেক রহমান আজ এক পরিপক্ব এবং দূরদর্শী নেতার নাম। তাঁর নেতৃত্বে বিএনপি কেবল একটি রাজনৈতিক দল নয়, বরং জনগণের অধিকার আদায়ের এক অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে পরিণত হয়েছে। কেন আগামী নির্বাচনে বিএনপিই জনগণের প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত, তার স্বপক্ষে উঠে এসেছে শক্তিশালী তিনটি কারণ:
১. জনগণের ক্ষমতায়ন: তারেক রহমান বিশ্বাস করেন, “ক্ষমতার উৎস হলো জনগণের ভোট।” তিনি এমন এক ব্যবস্থা গড়তে চান যেখানে প্রতিটি ভোট হবে এক একটি পরিবর্তনের হাতিয়ার। ২. দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন: লুটপাটের রাজনীতির কবর দিয়ে তিনি একটি স্বচ্ছ ও শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামো গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যেখানে জনগণের এক একটি পয়সার হিসাব রাখা হবে। ৩. বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত: লুণ্ঠিত অর্থ ফিরিয়ে এনে দেশের অর্থনীতিকে পুনরায় সচল করার যে দৃঢ়তা তিনি দেখিয়েছেন, তা বর্তমান সময়ে অনন্য।
“যখন একটি সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়, তখন তারা জনগণের টাকা লুট করতে পারে না। আমরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য একটি শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তুলব।” — তারেক রহমান
আগামী দিনের বাংলাদেশ: বিএনপির ভিশন
তারেক রহমানের এই ভিশনারি নেতৃত্ব কেবল কথার কথা নয়, বরং এটি একটি আধুনিক বাংলাদেশের স্বপ্ন। তিনি চান এমন এক বাংলাদেশ যেখানে:
যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থান হবে মেধার ভিত্তিতে, দলীয় পরিচয়ে নয়।
কৃষক ও শ্রমিকরা তাদের ঘামের সঠিক মূল্য পাবে।
আইনের শাসন হবে সবার জন্য সমান।
জনতার রায়: এবার পরিবর্তন অনিবার্য
সারাদেশে আজ স্লোগান উঠেছে— ‘তারেক রহমান দিচ্ছে ডাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’। সাধারণ মানুষের মতে, গত ১৫ বছরের ক্ষত সারাতে তারেক রহমানের মতো আপসহীন এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতার কোনো বিকল্প নেই। তিনি দেশের বাইরে থেকেও যেভাবে দলকে সুসংগঠিত করেছেন এবং আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে তুলে ধরেছেন, তা বিশ্বরাজনীতিতে প্রশংসিত হচ্ছে।
আসন্ন নির্বাচনে ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে জনতা তাদের হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে উন্মুখ হয়ে আছে। তারেক রহমানের এই দূরদর্শী নেতৃত্বই পারে বাংলাদেশকে একটি আধুনিক, উন্নত এবং মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করতে।
দেশের টানে, গণতন্ত্রের প্রয়োজনে— ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করুন। নতুন প্রজন্মের নেতা, আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করুন।