• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ২২০ ইয়াবা, ৯ বোতল ফেনসিডিল ও নগদ ৩২ হাজার টাকা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ এফবিআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আইজিপির সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে ডাকাতের কবলে বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর, সহকর্মীদের দোয়া ও সহযোগিতার আহ্বান মাছ ধরতে গিয়ে জেলের জালে মিলল থানা থেকে লুট হওয়া শর্টগান বেনাপোল কাস্টম চেকপোস্টে ‘স্পট ট্যাক্স’ বন্ধ, লাগেজ হয়রানি ও উন্নয়ন প্রশ্নে বাড়ছে জনঅসন্তোষ: রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান: বড়আঁচড়া সড়কের অস্থায়ী সংস্কারে উদ্যোগ, এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি বেনাপোলের গর্ব মারিয়া আফরিন তিষু: ছাত্ররাজনীতিতে নেতৃত্ব, গণমাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনায় নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা পলাশবাড়ীতে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর পেট মুচড়ে ও বেঞ্চে শুইয়ে নির্যাতনের অভিযোগ শিক্ষক মিথুনের বিরুদ্ধে মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি

অস্ত্র ব্যবসায়ী আকুল গ্রেফতার, তবে অধরা আজিম: নির্বাচন সামনে রেখে উদ্বেগ বাড়ছে

Daily Bangladesh Prothom Sangbad / ২১৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

 

অস্ত্র ব্যবসায়ী আকুল গ্রেফতার, তবে অধরা আজিম: নির্বাচন সামনে রেখে উদ্বেগ বাড়ছে
নিউজ ডেস্ক | প্রকাশ: ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশব্যাপী চলমান বিশেষ নিরাপত্তা অভিযান “ডেভিল হান্ট–ফেজ ২”-এর অংশ হিসেবে যশোরের শার্শা উপজেলার আলোচিত অস্ত্র ব্যবসায়ী ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতা আকুল হোসেন গ্রেফতার হলেও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও কথিত অস্ত্র–শুল্ক ফাঁকি চক্রের মূল সমন্বয়কারী আজিম এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।
গত ১৭ ডিসেম্বর রাতে যশোর শহরের রায়পাড়া এলাকা থেকে আকুল হোসেনকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আকুল শার্শা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং নিষিদ্ধ সংগঠন শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, মাদক ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক গুরুতর মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, ২০২১ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার মিরপুর, দারুস সালাম ও গাবতলী এলাকায় একযোগে অভিযান চালিয়ে আকুল ও আজিমসহ কয়েকজনকে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলিসহ আটক করা হয়েছিল। ওই ঘটনায় দায়ের করা অস্ত্র মামলা এখনো বিচারাধীন থাকলেও আজিম কৌশলে আত্মগোপনে থেকে তার অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় ও গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, ভারত থেকে অবৈধভাবে অস্ত্র এনে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ এবং বিপরীতে স্বর্ণ ও পণ্যের চোরাচালান—এই দ্বিমুখী অপরাধ চক্রে আজিম সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর আকুল পলাতক হলে অস্ত্র ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ আজিম নিজ হাতে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে বেনাপোল স্থলবন্দরে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক থেকে অবৈধ এয়ার পিস্তল ও গুলি উদ্ধার এবং একাধিক সন্দেহজনক আমদানি চালান আটকের ঘটনায় আজিমের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠে আসে। সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও চালান বিশ্লেষণে তার নাম একাধিকবার সামনে এসেছে বলে কাস্টমস ও বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, শুল্ক ফাঁকি, মিথ্যা ঘোষণা ও অবৈধ অস্ত্র বাণিজ্যের মাধ্যমে অল্প সময়ে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন আজিম। বেনাপোল ও যশোর এলাকায় তার নামে ও বেনামে কোটি টাকার জমি ও আলিশান ভবন থাকার তথ্যও অনুসন্ধানকারীদের নজরে এসেছে।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে বাংলাদেশ অস্ত্র আইন, ১৮৭৮, বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী আজিমের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড এমনকি যাবজ্জীবন সাজা পর্যন্ত হতে পারে। একই সঙ্গে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ থাকলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনে সম্পদ বাজেয়াপ্তের বিধান রয়েছে।
নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট মহল দ্রুত আজিমকে গ্রেফতার করে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে পুরো চক্র উন্মোচনের দাবি জানিয়েছেন।


More News Of This Category
bdit.com.bd