অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট :শার্শার বাহাদুরপুরে বিএনপির জরুরি কর্মী সমাবেশে নেতাকর্মীদের ঢল
যশোরের শার্শা উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আয়োজিত এক জরুরি কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার, ১ জুলাই, বিকেলে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে শার্শা ও আশপাশের এলাকার বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের শত শত নেতাকর্মী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাহাদুরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাস্টার সাহেব আলী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন, সাবেক সংসদ সদস্য মফিকুল হাসান তৃপ্তি, প্রধান উপদেষ্টা খায়রুজ্জামান মধু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক-১ আশরাফুল আলম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক-২ সালাউদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক তাজউদ্দীন, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী শাহীন ও আব্দুল মজিদ।
এছাড়াও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজ জোহা সেলিম, সদস্য সচিব ইমদাদুল হক ইমদাদ, শার্শা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম রিপন, সদস্য সচিব সেলিম হোসেন আশা, ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম চয়ন, সদস্য সচিব সবুজ হোসেন খান ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোইমিনুল সাগর।
বক্তারা বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপির আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তারা অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে বিরোধী কণ্ঠ রোধ করছে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সাংবিধানিক অধিকার হরণ করছে। বক্তারা আরও বলেন, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা, নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এখন সময়ের দাবি।
সমাবেশে নেতারা তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করার ওপর জোর দেন। বক্তৃতায় বারবার উঠে আসে রাজনৈতিক সচেতনতা, সাংগঠনিক ঐক্য এবং মাঠ পর্যায়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান।
এই কর্মসূচি বাহাদুরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের কর্মীদের শক্তিমত্তার একটি প্রামাণ্য উদাহরণ হয়ে ওঠে। স্থানীয় ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে প্রমাণিত হয়, বিএনপি এখনো জনসম্পৃক্ত ও সুশৃঙ্খলভাবে মাঠে সক্রিয়।
এ সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির নেতারা আগামী আন্দোলন ও নির্বাচনী প্রস্তুতির বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। বক্তারা জানান, এই সমাবেশ ছিল শুধু একটি কর্মসূচি নয়, বরং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথে একটি সাহসী পদক্ষেপ।