স্বাধীনতা থেকে গণতন্ত্র—প্রতিটি সংগ্রামে নারীর লড়াইয়ের স্বীকৃতি দিলেন তারেক রহমান
বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ডেস্ক
জনতার কণ্ঠস্বর | ৩১ জুলাই ২০২৫
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রতিটি অধ্যায়ে নারীদের অসাধারণ সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ ৩১ জুলাই এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের অর্জন থেকে ২০২৪ সালের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ—বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা কিংবা ফ্যাসিবাদ বিরোধী দেড় দশকের আন্দোলনসহ প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও লড়াই করেছেন। জীবন দিয়েছেন।”
তারেক রহমানের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন দেশব্যাপী নারী নেতৃত্ব এবং নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নতুন মাত্রা পাচ্ছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতে এই স্বীকৃতি একদিকে যেমন ইতিহাসকে স্মরণ করায়, তেমনি ভবিষ্যতের লড়াইয়েও নারীর অংশগ্রহণকে অনুপ্রাণিত করে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, তারেক রহমানের এ বক্তব্য কেবল অতীতের মূল্যায়ন নয়, বরং নারীদের প্রতি একটি রাজনৈতিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন। এতে বোঝা যায়, বিএনপি নেতৃত্বাধীন আন্দোলনে নারীশক্তির ভূমিকা কেবল গৌণ নয়—বরং তা একেবারে কেন্দ্রবিন্দুতে।
ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে নারীসমাজ যেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, শহীদ হয়েছে, কারাবরণ করেছে, নিপীড়নের শিকার হয়েও মাথা নত করেনি—সেই ইতিহাস তুলে ধরেই তারেক রহমান ভবিষ্যতের জন্য এক নতুন বার্তা দিয়েছেন।
রাজনৈতিক মহলে এই বক্তব্য ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে। বিশেষ করে বিএনপির নারী অঙ্গসংগঠন ও তরুণ নেতৃত্ব এটিকে একটি দিকনির্দেশক বক্তব্য হিসেবে দেখছেন।
বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ মনে করে, এই স্বীকৃতি কেবল অতীতের নারীদের জন্য নয়, বর্তমান ও ভবিষ্যতের নারীদের সংগ্রামের পথও আলোকিত করবে।
—বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ডেস্ক | জনতার কণ্ঠস্বর