• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বেনাপোল কাস্টম চেকপোস্টে ‘স্পট ট্যাক্স’ বন্ধ, লাগেজ হয়রানি ও উন্নয়ন প্রশ্নে বাড়ছে জনঅসন্তোষ: রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান: বড়আঁচড়া সড়কের অস্থায়ী সংস্কারে উদ্যোগ, এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি বেনাপোলের গর্ব মারিয়া আফরিন তিষু: ছাত্ররাজনীতিতে নেতৃত্ব, গণমাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনায় নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা পলাশবাড়ীতে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর পেট মুচড়ে ও বেঞ্চে শুইয়ে নির্যাতনের অভিযোগ শিক্ষক মিথুনের বিরুদ্ধে মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি ঈদের খাবারে অনিয়মের অভিযোগ: রাজশাহী কারাগারে নিম্নমানের পোলাও চাল সরবরাহ, ঠিকাদার–কর্তৃপক্ষ যোগসাজশের সন্দেহ আইনের রক্ষক না ভঙ্গক,পুলিশের কনস্টেবল রাজীব কুমার হৃদয়ের বিরুদ্ধে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগ,আরএমপি জুড়ে তোলপাড়, জনমনে উদ্বেগ,শাস্তির দাবি বাংলাদেশ পুলিশের দুই শীর্ষ কর্মকর্তার অবসরের সংবর্ধনা শার্শার যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম শহীদের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

সানির দাপটে অতিষ্ঠ নগরবাসী: ক্ষমতার উৎস কোথায়? প্রশাসন কি সত্যিই নিরপেক্ষ?

Reporter Name / ১২৭ Time View
Update : শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫

 

সানির দাপটে অতিষ্ঠ নগরবাসী: ক্ষমতার উৎস কোথায়? প্রশাসন কি সত্যিই নিরপেক্ষ?

৩০ অক্টোবর ২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজশাহী নগরের আলোচিত ও বিতর্কিত নাম সানি এখন শহরের সাধারণ মানুষের আতঙ্কের প্রতীক। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয়ের ছত্রছায়ায় তিনি গড়ে তুলেছেন এক অবৈধ সাম্রাজ্য, আর প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকায়।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সানি একসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী ও ক্যাডার ছিলেন। তার বাবাও রাজশাহী মহানগর ২২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতির পদপ্রার্থী ছিলেন। রাজনৈতিক ছায়াতেই সানির উত্থান—এমনটাই মনে করেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখল করে সানি প্রতিষ্ঠা করেন ব্লেসিং রেস্টুরেন্ট, যেখানে খাবারের আড়ালে চলে রাজনৈতিক মিটিং, ক্ষমতার দখলবাজি ও ছাত্রলীগের আনাগোনা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন—এই দখলদারিত্ব ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের পেছনে কার ছায়া কাজ করছে?

রাজশাহী আলুপট্টি ও কুমারপাড়ার মানুষ আজও আতঙ্কে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা বলেন, “সানির ভয়ঙ্কর প্রভাবের কারণে আমরা রাতে ঘুমাতে পারতাম না। সে যেভাবে মানুষের বাড়ি দখল, ভয় দেখানো ও অর্থবলে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করত, তাতে মনে হতো আইনের কোনো অস্তিত্বই নেই।”

তারা অভিযোগ করেন, সানির ক্ষমতার দাপট এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, পুলিশের চোখের সামনে থেকেও সে ঘুরে বেড়াচ্ছে নির্বিঘ্নে।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন, “যদি প্রমাণ ও ভিডিও ফুটেজ হাতে থাকে, তবে প্রশাসন চুপ কেন? একজন ব্যক্তি কতটা শক্তিশালী হলে পুলিশও তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ভয় পায়?”

বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, “যদি সানির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ পাওয়া যায়, আমরা তদন্ত করব। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। তবে এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।”

রাজশাহীর জনগণ একটাই দাবি তুলেছেন—সানির সব অবৈধ সম্পদ, দখলকৃত জমি ও অপরাধের রেকর্ড তদন্ত করা হোক। তার রাজনৈতিক ছায়া উন্মোচন করে আইনের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হোক।

তারা স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, “যে-ই হোক, যতো বড় প্রভাবশালী হোক, অপরাধ করলে শাস্তি পেতেই হবে। এই দেশে আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়—এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।”

এই প্রতিবেদনের দ্বিতীয় পর্বে সানির অবৈধ সম্পদ, ভিডিও ফুটেজ ও প্রভাবশালী পৃষ্ঠপোষকদের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।
অপেক্ষা করুন—সত্যের মুখোমুখি আসবে রাজশাহী।


More News Of This Category
bdit.com.bd