ষড়যন্ত্র করে জিয়া পরিবার থেকে দূরে সরানো যাবে না—গাবতলী–শাহজাহানপুরে ধানের শীষের প্রচারণায় প্রমাণ দিলেন যুবদলের সাবেক নেতা
বগুড়া প্রতিনিধি :
বগুড়ার গাবতলী–শাহজাহানপুর (৭ নং) আসনে ধানের শীষের পক্ষে সরব ও সক্রিয় প্রচারণার মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো—ষড়যন্ত্র করে কাউকে জিয়া পরিবার ও বিএনপির আদর্শ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায় না।
সম্প্রতি গাবতলী ও শাহজাহানপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালান বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহকারী/সহ-সংগঠনিক সম্পাদক সরোয়ার হোসেন জুয়েল (হোসেন জুয়েল) এবং গাবতলী উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা দলের নেত্রী সূরাইয়া আক্তার জেরিন রনি।
স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তারা ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার বার্তা তুলে ধরেন। এই কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

ষড়যন্ত্রের রাজনীতি প্রত্যাখ্যান
দলীয় সূত্র ও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মতে, একটি স্বার্থান্বেষী মহল দীর্ঘদিন ধরে হোসেন জুয়েলকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করতে এবং জিয়া পরিবার থেকে দূরে সরিয়ে দিতে ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছে। কিন্তু মাঠের বাস্তবতা প্রমাণ করে দিয়েছে—এই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ।
একজন সাবেক যুবদল নেতা হয়েও দলের দুঃসময়ে ধানের শীষের পক্ষে প্রকাশ্য মাঠে নামা বিএনপির প্রতি তার অটল আনুগত্য ও ত্যাগের রাজনীতিরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
বহিষ্কার প্রত্যাহারের জোর দাবি
এই প্রেক্ষাপটে গাবতলী–শাহজাহানপুরের বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা হোসেন জুয়েলের বহিষ্কারাদেশ দ্রুত প্রত্যাহারের জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য—
“যিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, সুবিধাবাদী রাজনীতি পরিহার করে ধানের শীষের পক্ষে মাঠে থাকেন, তাকে শাস্তি নয়—বরং সম্মান দেওয়া উচিত।”
বার্তা স্পষ্ট
এই প্রচারণা কর্মসূচি স্পষ্ট করে দিয়েছে—
জিয়া পরিবার, ধানের শীষ ও বিএনপির আদর্শ থেকে কাউকে ষড়যন্ত্র করে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।
মাঠের রাজনীতিতে যার প্রমাণ আজ গাবতলী–শাহজাহানপুর।