শার্শা-৮৫/১ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে নুরুজ্জামান লিটনের জনপ্রিয়তা সর্বোচ্চ শিখরে
দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ | বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা | ২৯ জুলাই ২০২৫
৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে সূচিত হয়েছে একটি নতুন অধ্যায়। জাতীয়তাবাদী শক্তির উত্থান এবং বিএনপির সাংগঠনিক পুনর্গঠনের এই সময়টিতে শার্শা-৮৫/১ আসনে এক নতুন আশার প্রতীক হিসেবে উঠে এসেছেন আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন—শার্শা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রদল-যুবদল ঘরানার নিবেদিত রাজনৈতিক কর্মী এবং সময়-দর্পণে তৈরি এক আপসহীন রাজনীতিক।
লিটনের নেতৃত্বের বৈশিষ্ট্য শুধু সাংগঠনিক দক্ষতায় সীমাবদ্ধ নয়—তিনি একজন মানবিক রাজনীতিবিদ, যিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের জনপ্রিয়তার প্রতিও রাখেন সম্মান। তার এই সহনশীল ও পরিপক্ব দৃষ্টিভঙ্গি তাকে শার্শার রাজনীতিতে এক ব্যতিক্রমী স্থান এনে দিয়েছে।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, ২০০৭ সালের এক-এগারোর সময় যখন দেশে শুরু হয় সংস্কারপন্থীদের দৌরাত্ম্য, তখন অধিকাংশ রাজনীতিক তাদের ‘নৈতিক সংশোধন’ এবং সুবিধাবাদী অবস্থানে আশ্রয় নিলেও, লিটন ছিলেন সেই বিরল কণ্ঠ, যিনি নিজের মনের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো আপোষ করেননি। তিনি আপসহীনভাবে অবস্থান নিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শের পক্ষে, তারেক রহমানের নেতৃত্বের পক্ষে এবং শৃঙ্খলিত বাংলাদেশবাসীর গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার পক্ষে। এই দৃঢ়তা ও নীতিগত অবস্থানই আজ তাকে গণমানুষের চোখে রাজনৈতিক সত্যের প্রতিনিধি করেছে।
যদিও কেন্দ্রীয়ভাবে আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন ঘোষণা এখনো হয়নি, মাঠপর্যায়ের প্রতিক্রিয়া, সাংগঠনিক মূল্যায়ন ও স্থানীয় জনমত বলছে—লিটনের বিকল্প নেই। খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে এবং কেন্দ্রীয় কমিটির নীতিনির্ধারণী স্তরে তার নাম এখন শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত।
বিশ্বস্ত গোয়েন্দা তথ্য, সাংগঠনিক পর্যালোচনা এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দের বক্তব্যে লিটনের বিরুদ্ধে নেই কোনো আর্থিক অনিয়ম, নেই দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ। বরং তার নেতৃত্বেই শার্শা থানা বিএনপি হয়েছে আরও শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ এবং গতিশীল।
তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ নির্দেশনার আলোকে, কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের সুপারিশে শার্শা-৮৫/১ আসনে বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে লিটনের নাম এখন সময়ের ঘোষণামাত্র। শার্শার তৃণমূল কর্মী, যুবশক্তি এবং সাধারণ জনগণ একবাক্যে বলছে—“এই আসনে কেবল লিটনই আমাদের প্রতিনিধি।”
বেনাপোল বন্দর ও শার্শা অঞ্চলের মতো কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনা, ক্ষমতার দখলদারি ও উন্নয়নশূন্যতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মতো সাহসী, পরিচ্ছন্ন এবং রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল নেতৃত্বই সময়ের দাবি। আর সেই দাবি পূরণ করতে প্রস্তুত আছেন লিটন—একজন কর্মীপ্রধান, সততাবান ও আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ।
আজ শার্শার জনগণ উচ্চকণ্ঠে বলছে:
“লিটন অতীতের নির্ভরতা, বর্তমানের আস্থা এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতার প্রতীক। তিনি এই আসনের একমাত্র প্রার্থী, একজনই নেতা—আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন।”