• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মাছ ধরতে গিয়ে জেলের জালে মিলল থানা থেকে লুট হওয়া শর্টগান বেনাপোল কাস্টম চেকপোস্টে ‘স্পট ট্যাক্স’ বন্ধ, লাগেজ হয়রানি ও উন্নয়ন প্রশ্নে বাড়ছে জনঅসন্তোষ: রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান: বড়আঁচড়া সড়কের অস্থায়ী সংস্কারে উদ্যোগ, এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি বেনাপোলের গর্ব মারিয়া আফরিন তিষু: ছাত্ররাজনীতিতে নেতৃত্ব, গণমাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনায় নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা পলাশবাড়ীতে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর পেট মুচড়ে ও বেঞ্চে শুইয়ে নির্যাতনের অভিযোগ শিক্ষক মিথুনের বিরুদ্ধে মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি ঈদের খাবারে অনিয়মের অভিযোগ: রাজশাহী কারাগারে নিম্নমানের পোলাও চাল সরবরাহ, ঠিকাদার–কর্তৃপক্ষ যোগসাজশের সন্দেহ আইনের রক্ষক না ভঙ্গক,পুলিশের কনস্টেবল রাজীব কুমার হৃদয়ের বিরুদ্ধে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগ,আরএমপি জুড়ে তোলপাড়, জনমনে উদ্বেগ,শাস্তির দাবি বাংলাদেশ পুলিশের দুই শীর্ষ কর্মকর্তার অবসরের সংবর্ধনা

নির্বাচন কমিশন গঠনে আগের অবস্থান থেকে সরে এল বিএনপি, বাকি চার প্রতিষ্ঠানে অনড় অবস্থান*

Reporter Name / ১১১ Time View
Update : বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫

 

নির্বাচন কমিশন গঠনে আগের অবস্থান থেকে সরে এল বিএনপি, বাকি চার প্রতিষ্ঠানে অনড় অবস্থান*

মোঃ শাহজাহান বাশার
স্টাফ রিপোর্টার

বিএনপি অবশেষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। বুধবার (২৩ জুলাই) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফার ১৮তম দিনের বৈঠকে এ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয় দলটি। শুরুতে শুধুমাত্র আইন প্রণয়নের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠনের পক্ষে থাকলেও এবার তারা সংবিধানে তা অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে। তবে সরকারি কর্ম কমিশন, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং ন্যায়পাল নিয়োগের বিষয়ে বিএনপি এখনও আগের অবস্থানে অনড় রয়েছে।

বৈঠকে আলোচ্য বিষয় ছিল—সংবিধিবদ্ধ ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহের নিয়োগ প্রক্রিয়া। বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের বিধান সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে মত দিলেও বিএনপি কেবলমাত্র নির্বাচন কমিশনের ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে।

বিএনপি প্রস্তাব করেছে, নির্বাচন কমিশনের জন্য গঠিত সিলেকশন কমিটির সদস্য সংখ্যা ৭ জন থেকে কমিয়ে ৫ জন করা হোক। কমিটির প্রস্তাবিত গঠনেও পরিবর্তনের সুপারিশ করেছে দলটি। তাদের মতে, সিলেকশন কমিটিতে থাকবেন—* সংসদ নেতা (প্রধানমন্ত্রী),* জাতীয় সংসদের স্পিকার,* প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা,বিরোধী দলের প্রস্তাবে মনোনীত ডেপুটি স্পিকার, এবং প্রধান বিচারপতির একজন প্রতিনিধি।

বিএনপি নেতাদের মতে, এই কাঠামো অধিকতর ভারসাম্যপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নিয়োগ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

দলের প্রতিনিধিরা বৈঠকে বলেন, “নির্বাচন কমিশন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এর নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচন কমিশনের গঠন ও নিয়োগ পদ্ধতিকে শুধু আইনে নয়, সংবিধানেই সুস্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তবে বাকি চারটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে যে প্রস্তাব এসেছে, সেটি এখনো আমাদের বিবেচনার বাইরে।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপির এই অবস্থান কিছুটা নমনীয়তা প্রকাশ করলেও সামগ্রিকভাবে দলটি এখনো তাদের কৌশলগত চাপ ধরে রাখছে। নির্বাচন কমিশন নিয়ে সরকারি দল ও বিরোধীদের মাঝে যে দীর্ঘদিনের মতপার্থক্য ছিল, তা মেটাতে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এই সংলাপের মাধ্যমে দেশে একটি টেকসই ও গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট মহল।


More News Of This Category
bdit.com.bd