• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বেনাপোল কাস্টম চেকপোস্টে ‘স্পট ট্যাক্স’ বন্ধ, লাগেজ হয়রানি ও উন্নয়ন প্রশ্নে বাড়ছে জনঅসন্তোষ: রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান: বড়আঁচড়া সড়কের অস্থায়ী সংস্কারে উদ্যোগ, এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি বেনাপোলের গর্ব মারিয়া আফরিন তিষু: ছাত্ররাজনীতিতে নেতৃত্ব, গণমাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনায় নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা পলাশবাড়ীতে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর পেট মুচড়ে ও বেঞ্চে শুইয়ে নির্যাতনের অভিযোগ শিক্ষক মিথুনের বিরুদ্ধে মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি ঈদের খাবারে অনিয়মের অভিযোগ: রাজশাহী কারাগারে নিম্নমানের পোলাও চাল সরবরাহ, ঠিকাদার–কর্তৃপক্ষ যোগসাজশের সন্দেহ আইনের রক্ষক না ভঙ্গক,পুলিশের কনস্টেবল রাজীব কুমার হৃদয়ের বিরুদ্ধে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগ,আরএমপি জুড়ে তোলপাড়, জনমনে উদ্বেগ,শাস্তির দাবি বাংলাদেশ পুলিশের দুই শীর্ষ কর্মকর্তার অবসরের সংবর্ধনা শার্শার যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম শহীদের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

জকসু নির্বাচনে আলোচনায় ছাত্রী সংস্থার সাবেক নেত্রী — ছাত্রদলের প্যানেলে নতুন চমক খাদিজাতুল কোবরা

Reporter Name / ১১১ Time View
Update : বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫

 

জকসু নির্বাচনে আলোচনায় ছাত্রী সংস্থার সাবেক নেত্রী — ছাত্রদলের প্যানেলে নতুন চমক খাদিজাতুল কোবরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসজুড়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছাত্রী সংস্থার সাবেক নেত্রী খাদিজাতুল কোবরা। একসময় ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার এই নেত্রী জেল খাটার পর হঠাৎ করেই জকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের প্যানেলে নাম লিখিয়েছেন।

খাদিজাতুল কোবরা ছিলেন ছাত্ররাজনীতির এক প্রতিবাদী মুখ। সরকারবিরোধী অবস্থান ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখির কারণে তিনি প্রায় ১৫ মাস কারাগারে ছিলেন। তখন ক্যাম্পাসজুড়ে তার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি হয়।

মুক্তির পর রাজনীতির মোড় ঘোরানো সিদ্ধান্ত

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর মুক্তি পান খাদিজাতুল কোবরা। মুক্তির পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের একাংশ তাকে প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে দেখছিলেন। কিন্তু সেই আবেগ এখন অন্য রূপ নিয়েছে — আসন্ন জকসু নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হতে যাচ্ছেন ছাত্রদলের প্যানেল থেকে।

সূত্র জানায়, প্রথমে তিনি একাধিক প্যানেলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন এবং আর্থিক আলোচনাও হয়। বাগছাস ও ছাত্র অধিকার পরিষদের সঙ্গে আলোচনায় সুবিধা না মেলায় শেষ পর্যন্ত ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেলের সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতা হয়।

চুক্তির বিনিময়ে প্রার্থীতা?

অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, ছাত্রদলের পক্ষ থেকে তাকে আর্থিক সুবিধার প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেই প্রস্তাবে সাড়া দিয়েই তিনি এজিএস (সহ-সাধারণ সম্পাদক) পদে প্রার্থী হচ্ছেন।
যদিও ছাত্রদলের পক্ষ থেকে তাকে জিএস পদের প্রার্থী করতে আগ্রহ ছিল, কিন্তু খাদিজাতুল কোবরা তাতে রাজি হননি। কারণ, জকসু নির্বাচনে শিবির ঘরানার প্রার্থীরাও ভিপি ও জিএস পদে লড়ছেন— ফলে সে ক্ষেত্রে নিজ দলের সাবেক সহকর্মীদের বিরুদ্ধেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হতো তাকে।

তাই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি জানান, “আমি শুধুমাত্র এজিএস পদেই প্রার্থী হতে আগ্রহী।”

প্রতিক্রিয়া ও প্রশ্ন

খাদিজাতুল কোবরার এই সিদ্ধান্তে বিস্মিত অনেকেই। কেউ কেউ বলছেন, ‘যে মেয়ে একসময় ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক ছিলেন, এখন তিনি অর্থ ও পদলোভে নীতির বাইরে চলে গেছেন।’
অন্যদিকে তার সমর্থকরা বলছেন, “এটা তার রাজনৈতিক কৌশল— নিজের প্রভাব ধরে রাখার এক নতুন চেষ্টা।”

যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও খাদিজাতুল কোবরার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।


More News Of This Category
bdit.com.bd