অনলাইন ডেস্ক :“৩.২ কিঃমিঃ দৌড় — এটা শুধু একটা দূরত্ব নয়, এটা একটা যুদ্ধ।”সকাল সকাল ঠান্ডা বাতাস যখন মুখে লাগে, তখন শরীর বলে ঘুমাও আরেকটু। কিন্তু মন বলে, “উঠতে হবে, ছুটতে হবে, লড়তে হবে।”
৩.২ কিঃমিঃ দৌড় — অনেকে ভাবে এ তো তেমন কিছু না! কিন্তু যারা সামরিক ট্রেনিংয়ের ভেতর দিয়ে গিয়েছে, তাদের জন্য এটা একটা গল্পের শুরু।
প্রতিটি পা সামনে বাড়ানো যেন একটা যুদ্ধ নিজের শরীরের সাথে।
ফুসফুস আগুন হয়ে যায়, বুকটা যেন ফেটে যাবে বলে মনে হয়, পায়ের পেশি আর সাড়া দিতে চায় না…
তবুও থেমে যাওয়া যায় না।
কারণ দৌড় থামা মানেই হেরে যাওয়া নয়, এটা পুরো টিমকে পিছিয়ে দেওয়া।
শত কষ্টেও যখন মনে হয় আর পারবো না, ঠিক তখনই হৃদয়ের গভীর থেকে আসে একটা আওয়াজ —
“আরেক ধাপ, শুধু আরেকটা ধাপ!”
এটাই সেই চেতনাবোধ, যেটা বডি ফিজিক্সকে হারিয়ে দেয়।
আর যখন ফিনিশিং পয়েন্টটা চোখে পড়ে…
বন্ধুরা একসাথে হাত ধরে টেনে নিয়ে যায়, বলে “চল ভাই, আরেকটু!”
ওই মুহূর্তে তাদের হাতটাই সবচেয়ে বড় শক্তি।
সেখানে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা আলাদা — ওরা শুধু বন্ধু না, ওরা যুদ্ধসাথী।
প্রতিটি সকাল, প্রতিটি রোল কল, প্রতিটি PT,
বৃষ্টি ভেজা মাঠে ঘাসে লুটিয়ে পড়া শরীর,
চোখের কোনায় জমে থাকা ক্লান্তির জল…
এসবই একদিন জীবনের সেরা স্মৃতি হয়ে ওঠে।
যারা এই পথ পেরিয়েছে, তারা জানে —
“আমরা যে ঘাম ফেলেছি মাঠে, তা একদিন দেশের পতাকায় গর্ব হয়ে ফিরে আসে।”
আমাদের ইউনিফর্মের ওজন কেবল কাপড়ের না,
এটা হাজারো ঘামের বিনিময়ে অর্জিত আত্মমর্যাদা।
যারা আজও দৌড়াচ্ছে, যারা এখনো ট্রেনিংয়ে, কিংবা যারা এক সময় পেরিয়ে এসেছে এই আগুনপথ —
তাদের স্যালুট।
এই দেশ গড়ার পেছনে তোমাদের ঘাম, ত্যাগ আর বন্ধুত্ব গাঁথা আছে চিরদিনের মতো।