শাহপরাণে রাজনৈতিক চক্রান্ত ও অপপ্রচারের শিকার বিএনপি নেতা শফিকুর রহমান খোকন
বিশেষ প্রতিনিধি, সিলেট:
আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেটের শাহপরাণ থানা এলাকায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও একটি স্বার্থান্বেষী কুচক্রী মহল জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং জাতীয়তাবাদী কৃষক দল শাহপরাণ থানা শাখার সহ-সভাপতি মোঃ শফিকুর রহমান খোকনের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত ও অসত্য অপপ্রচারে মেতে উঠেছে। বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসনামলে রাজপথে চরম নির্যাতন, জুলুম ও নিপীড়ন সহ্য করে অনড় থাকা এই ত্যাগী নেতাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এ ধরনের চক্রান্ত চালানো হচ্ছে বলে স্থানীয় জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, মোঃ শফিকুর রহমান খোকন শাহপরাণ এলাকার একজন অত্যন্ত সৎ, নীতিবান ও জনপ্রিয় মুখ। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ২৮শে অক্টোবরের সেই কালো অধ্যায়ে এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর সাহসী ও রাজপথ কাঁপানো ভূমিকা তাঁকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে ও জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে গেছে। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে স্বৈরাচারী শাসনের অমানবিক নির্যাতন সহ্য করেও যিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি, বর্তমানে আগামী স্থানীয় নির্বাচনে তাঁর বিপুল গ্রহণযোগ্যতায় ভীত হয়ে একটি মহল সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে তাঁর সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সাধারণ জনগণ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, রাজপথে ঘাম ও রক্ত ঝরানো ত্যাগের বিনিময়ে শফিকুর রহমান খোকন আজ জনমনে জায়গা করে নিয়েছেন। কোনো ষড়যন্ত্রী মহল অপপ্রচার চালিয়ে তাঁর এই সুদীর্ঘ ত্যাগের মর্যাদা ও বিপুল জনপ্রিয়তাকে ম্লান করতে পারবে না।
এ বিষয়ে স্থানীয় সুশীল সমাজ ও নির্যাতিত রাজনৈতিক কর্মীরা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ও সিলেটের নির্যাতিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে আমরা সবসময় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অনড়। ষড়যন্ত্রীরা যদি অবিলম্বে এ ধরনের অপপ্রচার ও চক্রান্ত বন্ধ না করে, তবে সাধারণ জনগণ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের এই অপচেষ্টা রুখে দাঁড়াবে।
দুঃখ প্রকাশ ও পরবর্তী অনুসন্ধান অব্যাহত রাখার ঘোষণা
আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেটের শাহপরাণ থানা এলাকায় জাতীয়তাবাদী কৃষক দল শাহপরাণ থানা শাখার সহ-সভাপতি মোঃ শফিকুর রহমান খোকনকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের দাবি সামনে এসেছে। এ বিষয়ে পূর্বে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আমরা সংশ্লিষ্ট একটি পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করেছিলাম।
তবে পরবর্তী পর্যায়ে পাওয়া তথ্য ও বক্তব্য পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে একপক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে দুই পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ ও পর্যাপ্ত যাচাই-বাছাইয়ের যে প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, তা আরও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত ছিল।
এ কারণে দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদের পক্ষ থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে মোঃ শফিকুর রহমান খোকনের বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট তথ্য আরও বিস্তারিতভাবে যাচাই করে দেখার জন্য আমাদের অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে। অনুসন্ধানে নতুন কোনো তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হবে।
সাংবাদিকতার দায়িত্বশীলতা, নিরপেক্ষতা ও সত্য প্রকাশের স্বার্থে আমরা মনে করি, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য নেওয়া এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ভবিষ্যতেও এই নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।
— দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ জনতার কণ্ঠস্বর