বিএনপি স্পষ্ট: ‘আমার দেশ’-এর পক্ষপাত ও মিথ্যা প্রচার মোকাবেলা
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, জনতার কণ্ঠস্বর ডেস্ক
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন,বিভিন্ন মিডায়া,সরাসরি তিনি কোন নাম উল্লেখ করেন নি,কিন্তু দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ‘আমার দেশ’ পত্রিকা বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারে অভ্যস্ত। পত্রিকাটি অহরহভাবে বিএনপির কার্যক্রম, বক্তব্য ও নেতৃত্বের বিষয়ে বিকৃত তথ্য প্রকাশ করছে, যা রাজনৈতিক প্রভাব সৃষ্টি ও জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্য বহন করে।
চলুন দেখি কি মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছে আমার দেশ পত্রিকা,
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে ভোট হবে সুষ্ঠু ও অবাধ। তিনি আরও বলেন, “অনেকে আমাকে ভারতের এজেন্ট বা আওয়ামীর দালাল বলছেন, কিন্তু শেখ হাসিনার অপকর্ম আমরা কেন করব? ১৫ বছর প্রতিপক্ষকে ভোটে দাঁড়াতে দেননি, তার শাস্তি পেয়েছেন। একই কাজ করলে আমরাও প্রতিফল পাব। তবে মানুষ এত রক্ত দেখেছে, এত প্রাণহানি—তাদের মধ্যে আওয়ামী-বিরোধিতা রয়েছে।”এই তথ্য সম্পুর্ন মিথ্যা।
তিনি স্পষ্ট করেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতেই ভোট হবে এবং কোনো অশান্তি হবে না। জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পেতে চায় এবং উৎসবের মতো নির্বাচন হবে।
জামায়াত নির্বাচনে অংশ নেবে প্রচলিত ভোট পদ্ধতিতে। এনসিপির কোনো প্রভাব নেই; তাদের একমাত্র লক্ষ্য বিএনপিকে সরকার গঠন থেকে বিরত রাখা। ফখরুল বলেন, “জামায়াত ৩০টি আসন চেয়েছে, আমরা কম সংখ্যা দেখিয়েছি, যা তাদের মনঃপূত হয়নি। তবে আমরা আর তাদের মাথায় উঠতে দেবো না। পিআর-টিআর সবই বিএনপির ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল।”
তিনি জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং সেনাবাহিনী ভোট করানোর জন্য সহযোগী। আগস্টের ৫ তারিখে ড. ইউনূস নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছেন। নির্বাচনের বিষয়ে ইউনূস ও সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ–জামানের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে।
ভারতের প্রভাব স্বীকার করে ফখরুল বলেন, “ভারত মুক্তিযুদ্ধের সময় সহযোগী ছিল। তবে রাজনীতিতে ভারতের একপক্ষীয় সমর্থন কেবল আওয়ামী লীগের জন্য নয়। বিএনপি, জামায়াত ও বামপন্থী শাখা গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক। জামায়াত ও বিএনপির রাজনীতি আলাদা।”
সংক্ষেপে মূল বার্তা:
ফেব্রুয়ারিতেই ভোট হবে।
নির্বাচনে সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করবে।
ভারত স্বাভাবিকভাবে প্রভাবশালী, তবে ভোট প্রক্রিয়ায় স্বাধীনতা থাকবে।
জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে, কোনো অশান্তি হবে না।
বিএনপি গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক, ‘আমার দেশ’-এর পক্ষপাত ও মিথ্যা প্রচার মোকাবেলা করবে।