
তারিখ: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সময়: সন্ধ্যা ৬:০০
রিপোর্টার: জনতার কণ্ঠস্বর ডেস্ক
সাংবাদিক বুলুর মৃত্যু: রহস্য উদঘাটনের ধ্বারপ্রান্তে পুলিশ
খুলনা ব্যুরো:
খুলনায় সাংবাদিক ওয়াহেদ উজ জামান বুলুর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনের জন্য নৌপুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানায়, আজ সন্ধ্যার মধ্যে জানা যাবে এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা।
গত সোমবার বুলুর ভাই আনিসুজ্জামান দুলু লবনচরা থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন। রুপসা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবুল খায়ের জানান, ঘটনার সব দিক খুঁটিয়ে দেখার জন্য তদন্ত চলছে।
তিনি বলেন, বুলুর দ্বিতীয় স্ত্রী তানিয়া সুলতানার সঙ্গে সোমবার ফোনে যোগাযোগ ছিল। এরপর থেকে তার মোবাইলে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। রবিবার সন্ধ্যায় বুলু খুলনার খানজাহানআলী (র:) সেতুর ৬০–৭০ ফিট উচ্চতা থেকে নিচে লাফ দেন। এতে তার মুখ, মাজা ও পা ভেঙে যায়।
নৌপুলিশ জানিয়েছে, সেতুর নিজস্ব সিসি ক্যামেরা নেই। তবে টোল ঘর ও সেতুর পশ্চিম প্রান্তে দুটি ক্যামেরা রয়েছে, যা যাচাই করা হচ্ছে। খুলনা নৌপুলিশ সুপার ড. মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, বুলুকে ফেলা হয়েছে নাকি স্বেচ্ছায় ঝাপ দিয়েছেন, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। সেতুর দু’পাশের ভিডিও ফুটেজ ও বুলুর মোবাইল ফোনের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
বুলুর লাশ রবিবার সন্ধ্যা ৭ টায় খুলনার খানজাহানআলী (র:) সেতুর ২ নম্বর পিলারের পাইল ক্যাপ থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি দৈনিক বঙ্গবানী পত্রিকায় সাংবাদিকতা শুরু করেন। এরপর কর্মরত ছিলেন দৈনিক আজকের কাগজ, চ্যানেল ওয়ান, ইউএনবি, দৈনিক প্রবাহ এবং সর্বশেষ দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদে। বুলু খুলনা প্রেসক্লাব, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে) এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)-এর সদস্য ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, আজকের সন্ধ্যার মধ্যে তদন্তে একটি প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যাবে।
আপনি কি সেটাও চাইবেন?