নিজস্ব প্রতিবেদক | যশোর
যশোরের বেনাপোল রেলস্টেশনের উত্তর পাশে হিজড়া পট্টি-সংলগ্ন এলাকায় যুবদলকর্মী সজীবের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাগর ও মজিবর নামে দুজনের বিরুদ্ধে হামলায় নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ঘটনার সময় সজীবের সঙ্গে কয়েকজনের কথা-কাটাকাটি ও তর্কবিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সাগর ও মজিবরের নেতৃত্বে তাঁকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সজীব গুরুতর আহত হন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও হামলায় কার কী ভূমিকা ছিল, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, সাগর ভাঙ্গা রশিদের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও রয়েছে। অন্যদিকে, মজিবর বেনাপোলের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। এসব পরিচয় ও অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
যুবদলের রাজনীতিতে যুক্ত সজীব, পদ-পদবি নিশ্চিত নয়
সজীব যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে তিনি যুবদলের কোন পদে দায়িত্ব পালন করছেন, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তিনি বেনাপোলের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের যুবদল নেতা হিসেবে পরিচিত ‘মাস্টার’-এর সঙ্গে রাজনীতি করেন।
এ বিষয়ে যুবদল নেতা মাস্টারের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন তৈরির সময় পর্যন্ত তাঁর বক্তব্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। সজীবের সাংগঠনিক পদ-পদবি এবং যুবদলের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি
ঘটনাটি সম্পর্কে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন তৈরির সময় পর্যন্ত পুলিশের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত সাগর ও মজিবরের বক্তব্যও সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। আহত সজীবের চিকিৎসা, বর্তমান শারীরিক অবস্থা এবং এ ঘটনায় মামলা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।
নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
সজীবের ওপর হামলার অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। একই সঙ্গে আহত ব্যক্তির চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।
দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ-এর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসন, আহত সজীব, অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য সংগ্রহের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। নতুন তথ্য, বক্তব্য, চিকিৎসা-সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য নথি কিংবা তদন্তের অগ্রগতি পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন ও হালনাগাদ করা হবে।
দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ জনতার কণ্ঠস্বর