নয়াপল্টনের সামনে দুই বছর আগের স্মৃতি—এক সাহসী নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি
ডেইলি বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ | রিপোর্ট ডেস্ক
ঢাকা, ২৯ জুলাই ২০২৫
দুই বছর আগে, রাজধানী ঢাকার নয়াপল্টনের বিচারক ভবনের সামনে ধারণ করা একটি ছবি আজ আবারও সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায়। ছবিতে রয়েছেন যশোর-২ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক সফল উপজেলা চেয়ারম্যান সাবিরা নাজমুল মুন্নি।
এটি ছিলো এক আন্দোলনমুখর সময়। বিএনপির রাজপথে টিকে থাকার লড়াইয়ে যখন কেন্দ্রীয় কার্যালয় ছিলো নিরাপত্তা বলয়ের চাপে, তখন সাহসী কয়েকজন নেতৃবৃন্দ সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। বিচারকের ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে সাবিরা নাজমুল মুন্নির সেই উপস্থিতি ছিলো এক অনন্য প্রতীক—দমন-পীড়নের মুখে সত্য, সাহস ও নেতৃত্বের সমন্বিত প্রতিচ্ছবি।
রাজনীতিতে তাঁর অবস্থান শুধু একজন মনোনয়ন প্রত্যাশী নেত্রী হিসেবে নয়, বরং একজন দক্ষ সংগঠক ও জনসম্পৃক্ত নেতৃত্বের ধারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। ঝিকরগাছা উপজেলায় বিএনপির পুনর্গঠন ও সংগঠনের ভীত মজবুত করতে তিনি যে ভূমিকা রেখেছেন, তা দলের ভেতরে ও বাইরে সমাদৃত। তাঁর জনপ্রিয়তা এখন শুধু দলীয় বলয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তৃণমূল মানুষের মধ্যেও একটি নির্ভরযোগ্য নাম হয়ে উঠেছেন।
সাবিরা নাজমুল মুন্নি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে আসছেন। ২০২৩-২৪ সালের রাজনৈতিক উত্তাল পর্বে তিনি ঝুঁকি নিয়েই মাঠে ছিলেন। তাঁর সেই প্রতিরোধী মনোভাব এবং রাজনৈতিক সাহসিকতা অনেক তরুণ নেতাকর্মীর অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দুই বছর আগের এই ছবিটি স্মরণ করিয়ে দেয়, রাজনীতিতে যারা কেবল বক্তব্যের মাধ্যমে নয়, মাঠে থেকে প্রমাণ দেন—তাদের আসন জনমানসে অটুট। যশোর-২ আসনের তৃণমূলে এখন তারুণ্য এবং অভিজ্ঞতার সম্মিলিত নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি হিসেবে অনেকেই সাবিরা নাজমুল মুন্নির নাম উচ্চারণ করছেন।
বিএনপির বর্তমান সাংগঠনিক কাঠামোতে তার মতো নেতৃত্ব প্রয়োজন—যিনি আন্দোলনের সময় রাজপথে থাকেন, আবার দুঃসময়ে কর্মীদের পাশে দাঁড়ান।
এই দুই বছর আগের দৃশ্য তাই এখন শুধু একটি ছবি নয়, বরং একটি রাজনৈতিক বার্তা—নেতৃত্ব তখনই নির্ভরযোগ্য, যখন তা মাঠে প্রমাণিত।