দেশের ফ্যাসিবাদ মুক্তির পথে বীর শহীদদের আত্মত্যাগ ও আমাদের দায়িত্ব
২২জুলাই ২০২৫
অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট :
দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তারা আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় প্রেরণা। যেসব বীর সন্তান নিজেদের রক্তের বিনিময়ে আমাদের ফ্যাসিবাদ মুক্ত করেছেন, তাদের প্রতি আমাদের ঋণ পরিশোধ এখন সময়ের সবচেয়ে জরুরি দাবি।
আজকের বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, কর্তৃত্ববাদ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া ঐ শহীদদের স্মৃতি আমাদের পথপ্রদর্শক। তাদের আত্মত্যাগ আমাদের শিখিয়েছে, স্বাধীনতা শুধু স্লোগান নয়, তা রক্ষার জন্য কঠোর সংগ্রাম দরকার।
তারেক রহমানের কথায়, “নিজের জীবন দিয়ে যেসব বীর সন্তানেরা দেশকে ফ্যাসিবাদ মুক্ত করেছেন, এবার সেইসব শহীদদের প্রতি আমাদের ঋণ পরিশোধের পালা।” এ কথায় লুকিয়ে আছে একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব, যা আমরা কখনো ভুলতে পারি না।
আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব হল এই শহীদদের স্মৃতিকে জীবন্ত রাখা, তাদের সংগ্রামের মানে বোঝা এবং দেশের গণতন্ত্র, মুক্তি ও ন্যায়পরায়ণতার প্রতিফলন ঘটানো। এই ঋণ কখনোও শুধুমাত্র প্রার্থনা বা স্মৃতিসভায় নয়, বরং বাস্তব কর্ম, ন্যায় প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকারের জন্য লড়াই করে পরিশোধ করতে হবে।
সুতরাং, আজকের প্রজন্মকে সচেতন হতে হবে, যে শহীদদের রক্ত দিয়ে গড়ে ওঠা বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদ ও অন্যায়ের দায়িত্ব থেকে মুক্ত রাখতে তাদের আন্দোলনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। স্বাধীনতার রক্ষাকবচ হিসেবে আমাদের সতর্ক থাকা, সুশাসন ও জবাবদিহিতার জন্য আওয়াজ ওঠানো এখন সময়ের দাবি।
দেশের প্রতি আমাদের ঋণ কেবল শোকসন্তপ্ত শব্দ নয়, এটি কাজের আহ্বান — শহীদদের স্মৃতিতে অনুপ্রাণিত হয়ে সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর, দেশকে সত্যিকার অর্থে মুক্ত ও সমৃদ্ধ করার।
—
তারেক রহমান
২১ জুলাই ২০২৫