চাঁদাবাজি রুখতে ‘সমন্বয়ক’ পরিচয়ের অপব্যবহার ঠেকাতে সতর্ক করলেন সারজিস আলম
ঢাকা | ২৭ জুলাই ২০২৫ | ডেইলি বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ
বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় নানা নামে পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির প্রবণতা বাড়ছে—এমন প্রেক্ষাপটে সরব হলেন বিশিষ্ট সংগঠক সারজিস আলম। এক খোলামেলা বিবৃতিতে তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,
> ‘কেউ যদি ‘সমন্বয়ক’, ‘সংগঠক’ কিংবা অন্য কোনো সাংগঠনিক পরিচয়ে টাকা দাবি করে, দয়া করে দেরি না করে পুলিশে জানান।’
তিনি আরও বলেন,
> “এই আন্দোলন আমাদের নয়, জনগণের। এটিকে পুঁজি করে কেউ যদি ব্যবসা করতে চায়—তাহলে সে গণআন্দোলনের শত্রু। এদের চিহ্নিত করে প্রতিহত করুন।”
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা সংগঠনের নাম ব্যবহার করে চাঁদা তোলার অভিযোগ উঠেছে। ঠিক সেই প্রেক্ষাপটে সারজিস আলমের এই মন্তব্যকে দেখছে রাজনৈতিক মহল।
বিশেষ করে এনসিপি (ন্যাশনালিস্ট কনসার্ন ফর পিপলস)-এর নাম ব্যবহার করে কেউ কেউ নিজেদের ‘সমন্বয়ক’ পরিচয় দিয়ে মাঠপর্যায়ে দখলবাজি ও অর্থ আদায়ের অপপ্রয়াস চালাচ্ছে—এমন অভিযোগ জোরালো হচ্ছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে,
> “যদি সংগঠনের ভিতর নেতৃত্ব দুর্বল হয়, আদর্শ না থাকে—তাহলে সেই জায়গা দখল করে নেয় চাঁদাবাজ ও সুবিধাবাদীরা।”
📢 সারজিস আলমের বার্তা ছিল স্পষ্ট ও দৃঢ়:
> “এই আন্দোলন কারও ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার গড়ার প্ল্যাটফর্ম নয়। এটা গণমানুষের মুক্তির সংগ্রাম। কোনো রকম চাঁদাবাজি বা দখলদারি আমরা বরদাস্ত করবো না।”
তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে অনুরোধ জানান:
“সতর্ক থাকুন, সংগঠনের স্বচ্ছতা রক্ষা করুন। চাঁদাবাজি দেখলেই আইনগত ব্যবস্থা নিন।”
---
রাজনৈতিক মহলে এখন প্রশ্ন উঠেছে—যদি পরিচয়ই হয় চাঁদাবাজির হাতিয়ার, তবে সেই সংগঠন কতটা বৈধ ও গ্রহণযোগ্য? এনসিপি কী আদৌ গণমুখী নাকি এখন চাঁদাবাজদের আখড়া?